আসছে শীতকাল।শীতের সময় হরেক রকমের পিঠাপুলি বানানোর ধুম পরে যায়।তাছাড়া শীতকাল ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে পিঠা খাওয়া হয়। প্রত্যেক বাড়িতেই শীতের সময় বানানো হয় সুস্বাদু সব গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা।শীতের সকালে মিষ্টি রোদে বসে পিঠা খেতে খুবই ভালো লাগে।অনেকেই শহর থেকে গ্রামে আসেন মায়ের হাতের বানানো পিঠা খেতে। মায়ের হাতের পিঠা খাওয়া যেন খুবই মজার একটি বিষয়। আজ আমার মাও আমার পছন্দের নারিকেল পিঠা বানিয়েছেন। সত্যি কথা বলতে আমি গ্রামের বাড়িতে মাটির চুলায় বানানো এসব পিঠা খেতে খুবই ভালোবাসি।আর সেখানে তো নারকেল পিঠা হলে কোন কথাই নেই।নারিকেল দিয়ে বানানো বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু পিঠা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের আইটেম আমার খুবই ভালো লাগে। আজ আমার মা ও নারিকেল দিয়ে পুলি পিঠা বানাচ্ছেন।আর আমার মায়ের হাতের এই নারিকেল পুলি পিঠা রেসিপি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চাই।তাহলে দেখুন আমার মা কিভাবে পুলি পিঠা তৈরি করছেন।
নারিকেল দিয়ে পুলি পিঠা বানানোর পদ্ধতিঃ
প্রথমে দুইটি নারকেল কোড়ানো হয়েছে
পরিমাণ মতো চালের গুড়া নিয়েছেন।আমরা জানি চালের গুড়া দিয়ে বানানো সব ধরনের পিঠাই অনেক মজা লাগে
স্বাদমতো চিনি, তিনটি তেজপাতা ও তিনটি সাদা এলাচ নিয়েছেন
একটি পাতিলে কোড়ানো নারিকেল গুলো ঢেলে দিয়েছেন এবং তেজপাতা, সাদা এলাচ দিয়ে মাখিয়ে নিয়েছেন ও চুলায় উঠিয়ে দিয়ে রান্না করছেন।
দুই মিনিট পর এর মধ্যে চিনি যোগ করলেন এবং নাড়াচাড়া করে একত্রে মিশ্রণ করে নিলেন
আবারো পাঁচ মিনিট রান্না করলেন
এরপর ভালোভাবে নাড়াচাড়া করলেন। একপর্যায়ে নারিকেলে থেকে পানি গুলো শুকিয়ে ঝরঝরে হয়ে এল এবং বাদামি বর্ণ হলো।তারপর নামিয়ে নিলেন।
চালের গুঁড়ো দিয়ে হালুয়া বানিয়ে নিলেন
রুটি করে নিলেন
রুটিগুলো একটি স্টিলের গ্লাস দিয়ে কেটে ছোট ছোট টুকরা করে নিলেন
প্রত্যেকটি টুকরাতে নারিকেল দিয়ে বানানো হালুয়া দিয়ে নিলেন
দুই পাশে হাতে চেপে পিঠাগুলোকে বানিয়ে নিলেন
এখন তেলের মধ্যে পিঠাগুলোকে দিলেন
বাদামি বর্ণ করে দুই পাশেই ভেজে নিলেন
এভাবে তৈরি হলো আমার মায়ের হাতে সুস্বাদু পুলি পিঠা
বন্ধুরা আপনারা যারা গ্রামে বসবাস করেন তারা এই ধরনের পুলি পিঠার সাথে নিশ্চয়ই পরিচিত থাকবেন এবং যারা এই নারিকেলের পিঠাটি নতুন দেখছেন তাদের কাছেও অবশ্যই ভালো লাগবে এবং আপনারাও এভাবে বাসায় বানাতে চেষ্টা করবেন।আমি মনে করি আপনার পরিবারের সকলেই এই পিঠা খেতে পছন্দ করবেন। আমার মায়ের হাতের নারিকেলের এই সুস্বাদু পুলি পিঠা আপনার কাছে কেমন লেগেছে অবশ্যই আপনার মতামত জানাতে চেষ্টা করবেন এবং আমাকে সমর্থন করে এখানে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবেন।আপনারা ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন। আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি।