🌼 আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন।
আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার রান্না করা একটি মজাদার মাছের ভুনার রেসিপি শেয়ার করতে চাই।
আমরা তো মাছে-ভাতে বাঙালি—মাছ ছাড়া আমাদের চলেই না। তবে সব সময় এক রকম মাছের তরকারি খেতে ভালো লাগে না। তাই আজকে আমি একটু ভিন্নভাবে মাছের ভুনা রান্না করেছি।
আর মাছটা বাজারের না—আমার শ্বশুর নিজ হাতে বরশি দিয়ে বড় পুকুর থেকে ধরে এনেছেন। তাই মাছের স্বাদ হয়েছে আরও বেশি মজাদার।
আর কথা না বাড়িয়ে, আমি কীভাবে মাছের ভুনা রান্না করেছি সেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
🧺 উপকরণ
১. বড় মাছ – আমার পছন্দমতো
২. টমেটো পেস্ট
৩. পেঁয়াজ কুচি
৪. আদা বাটা
৫. রসুন বাটা
৬. পেঁয়াজ বাটা
৭. জিরা বাটা
৮. রান্নার তেল
৯. হলুদ গুঁড়া
১০. মরিচ গুঁড়া
১১. লবণ (স্বাদমতো)
১২. কাঁচা মরিচ
১৩. ধনেপাতা কুচি
--
🐟 মাছ ভাজার প্রস্তুতি
প্রথমে আমি মাছ ভালো করে লবণ দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নিয়েছি।
এরপর একটি বাটিতে মাছ নিয়ে হলুদ, লবণ ও মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মেখে কিছুক্ষণ রেখে দিয়েছি।
একটি কড়াইয়ে তেল ভালো করে গরম করে নিয়েছি।
তারপর মেখে রাখা মাছগুলো গরম তেলে দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ সুন্দর করে লাল করে ভেজে তুলে রেখেছি।
🍲 মশলা কষানো
একই কড়াইয়ে প্রয়োজনমতো তেল দিয়ে গরম করেছি।
তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা লাল করে ভেজেছি।
এরপর হলুদ, মরিচ, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়া দিয়েছি।
এরপর আদা-রসুন-পেঁয়াজ বাটা ও অল্প পানি দিয়ে ভালো করে কষিয়েছি, যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল উঠে এসেছে।
তারপর টমেটো পেস্ট দিয়ে আবার কষিয়েছি, যতক্ষণ না আবার তেল উঠে আসে।
🫕 মাছ রান্না
কষানো মশলায় ভেজে রাখা মাছগুলো দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ ১ মিনিট করে কষিয়েছি।
এরপর প্রয়োজনমতো ঝোল দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে ৭–৮ মিনিট রান্না করেছি।
মাঝে মাঝে দেখে নিয়েছি যেন কড়াইতে লেগে না যায়।
সবশেষে মাছ ভুনা হয়ে এলে কাটা কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা দিয়ে ১ মিনিট রেখে চুলা বন্ধ করেছি।
🍛 পরিবেশন
গরম সাদা ভাত বা পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করেছি।
পরিবারের সবাই খুব আনন্দ করে খেয়েছে 😊
আশা করছি আমার রান্না করা এই মাছের ভুনা আপনাদের ভালো লাগবে।
বাসায় একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন—ইনশাআল্লাহ খুব মজা হবে।
সবাই ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ।