ভ্রমণ কাহিনী

Words
264
Reading
2 min
Listen
Play
4y

মাহিনঃ প্রত্যেক দিন এইভাবে আড্ডা দিতে আর ভালো লাগেনা। চল কোথাও ঘুরতে যায়।

রাহাতঃ কোথায় যাবি? দূরে কোথাও যাওয়া যাবেনা। সন্ধ্যার আগে বাসায় ফিরতে হবে নয়তো আম্মু বকবে।

সবাই একরাশ হেসে নিলো, এক বছর পর এসএসসি দিয়ে কলেজে উঠবি, এখনো এইভাবে ভয় পাইলে চলবে নাকি ব্যাটা। চল, সবাই মিলে যায় কোথাও মজা হবে।

মাহিনঃ মামা, চল সবাই মিলে বাসের ছাদে করে যায়। টাকা-পয়সা ও কম লাগবে আর সেইরকম চিল হবে উপরে। হাওয়া খেতে খেতে যাবো।

রাহাতঃ যাবি কোথায় সেটা তো বল।

মাহিনঃ এত টেনশন নিস না, সন্ধ্যার আগে বাসায়…

এইটুকু বলার পরপরই বাস দেখতে পেলো, লোকাল বাস। শহরের বাইরে যায়, অন্য উপজেলায়। দৌড়ে গিয়ে উঠে পড়লো এবং উঠেই সবগুলো কেমন গুটিগুটি মেরে লুকিয়ে বসে আছে। কেউ দেখে ফেললেই সমস্যা। বাসায় বিচার দিয়ে দিবে। এই জায়গাটুকু পার হলেই আর চিন্তা নেই।

1652388674024-01.jpeg

গাড়ি চলছে আর সবাই চিল করছে,সাথে টিয়া, ময়না সবই হচ্ছে। ভাড়ার জন্য ছাদে হেল্পার আসলে ওর সাথেও কিছু চাপাবাজী করে যত কমে পারা যায় ব্যাপারটা মিটিয়ে নিয়েছে। এসব বিষয়ে এক্সপার্টও আছে সাথে, সেইরকম চাপাবাজ।

৩০ মিনিট যাওয়ার পর রাহাতের ফোন এসেছে, সে ধরছে না। এখন রিসিভ করলে বুঝে ফেলবে যে সে বাসের ছাদে করে কোথাও যাচ্ছে কিন্তু এদিকে একের পর এক ফোন বেজেই যাচ্ছে। পরবর্তী গন্তব্যে যখন বাস থামলো তখন রিসিভ করে হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে একগুচ্ছ বকাঝকা। দুই মিনিট পর বন্ধু ফোন রেখে আমাদের দিকে তাকাল।

"দোস্ত, এলাকার কে যেন আমাদের দেখে ফেলেছে এবং আব্বুর কাছে বিচার দিছে। আব্বু বাসায় যেতে বলেছে ৫ মিনিট এর ভিতর।"

ওদিক থেকে উওর এলো, "ফিরতি গাড়ি পেতেও সময় লাগবে। বন্ধু, তুমি আজকে শেষ, বসে বসে দোয়া-দরুদ যা যা মনে পড়ে পড়তে থাক।"

বিদ্রঃ জীবন থেকে নেওয়া। -_-

ভ্রমণ কাহিনী | Ecency