তরমুজ একটি গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল । এটি বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় । এটি বাংলাদেশের মানুসের খুবই প্রিয় ফল। এই ফল বাংলাদেশের সব জেলাতেই পাওয়া যাই। এই ফলে ৬% চিনি এবং ৯২% পানি থাকে ।
গুনাগুণঃ
এই ফলের কিছু গুনাগুন আসে।
- এই ফলে পচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েড আছে, যা চোখের জন্য উপকারী ।
- হৃদরোগীদের জন্য এটি খুবই ভাল কাজ করে থাকে।
- টাইফয়েড রোগীর জন্য এই তরমুজের ফলের রস বেশ উপকারিতে আসে।
- তরমুজে পচুর পরিমাণে পটাসিয়াম আসে যা উচ্ছরক্ত চাপ কমাই।
বৈশিষ্টঃ
তরমুজ গাছ একটি লতা বিহিন গাছ। এই গাছের ফল দেখতে ফুটবল এর মত । ৫-১০ পজন্থ হতে পারে একটি তরমুজ। তরমুজের গায়ে ডোরাকাটা দাগ থাকে। ফুল হওয়া থেকে শুরু করে ফল পাকা পজন্থ ৪-৬ মাস লেগে যাই। একটি পাকা তরমুজের ভিতরের রং লাল হইয়া থাকে।
ব্যবহারঃ
তরমুজ অনেক কাজেই ব্যবহার হচ্ছে। যেমনঃ তরমুজ দিয়া জুস ,চকলেট, বিস্কিট, ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে গরমের সময়ই তরমুজ সবাই খাইতে পছন্দ করে।
পুষ্টি গুনাগুনঃ
তরমুজে পচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যাই। এবং তরমুজে ৯২% পানি থাকাই শরীর অনেক ঠাণ্ডা রাখে। একটি তরমুজে পটাশিয়াম থাকে । যা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। নিয়মিত তরমুজ খাইলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাই।
আমাদের দেশে তরমুজ অনেক কম টাকাই পাওয়া যাই । এজন্য নিয়মিত তরমুজ খাওয়া প্রয়োজন। আর তরমুজের সময় চলছে এখন। আমরা নিয়মিত তজমুজ খাওয়া শুরু করি। এবং শরীরের যত্ন করি।
আমার পোস্ট পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকবেন সুস্ত থাকবেন এবং ভাল ভাল পোস্ট করবেন। আবার ও সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।