মিনার

Words
265
Reading
2 min
Listen
Play
4y

শান্তি খুঁজতে বাহির হয়েছিলাম। এই অশান্ত পৃথিবীতে যে কয়েক জায়গায় শান্তিকে পাওয়া যায় তার মধ্যে অন্যতম একটা জায়গা হলো মসজিদ।
আর সেই মসজিদ যদি হয় এতো সুন্দর তাহলে তো সোনায় সোহাগা। কয়েকমাস আগে বিকেলে ঘুরতে গিয়েছিলাম। আসল উদ্দেশ্য ছিলো মসজিদ দেখতে যাওয়া।

20180522_172738.jpg

20180522_172956.jpg

মসজিদটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার তাজ-নগর এলাকার মধ্যে পরে। প্রত্যন্ত গ্রামীন অঞ্চলের মধ্যে মাদরাসা এবং মসজিদ।

20180522_171823.jpg

আসরের নামাজ পড়ে মসজিদের মিনারে উঠেছিলাম। এরকম একটা জায়াগায় একলা উঠতে সাহস থাকাটা জরুরী। দেখে যতটা সহজ ভেবেছিলাম ততটাও সহজ না। তবে প্রকৃতি প্রেমিদের এই ভয় থাকার কথা না। শুধু প্রকৃতিকে ভালোবেসে কত শত পাহাড় পর্বতের চুড়ায় মানুষ তার স্মৃতি রেখে এসেছে। উপরে যত উঠছি বাতাসের শব্দ তত বাড়ছে । আসে পাসে ফাকা মাঠ থাকায় বাতাসের গতি অনেক বেসি ছিলো।
উপরে উঠে যখন বাংলার প্রকৃতি চোখে পড়লো তখন মনের প্রশান্তি বলে বোঝাতে পারবোনা। কোথায় সেই ভয় কোথায় লুকিয়ে গেলো কোথায় হারিয়ে গেলো মনের কোনে জন্ম নেওয়া সেই ভয়। খুজে পাওয়া গেলো না। সে আজ পরাজিত।
অপরুপ এই প্রকৃতি, এই বিস্তর মাঠ, দুরে ঐ দেখা যায় ছোট একটি গ্রাম,,, আহ্ঃ হা.... বাংলার গ্রাম। গ্রামীন পরিবেশ আমাকে অনেক টানে সেই ছোট বেলা থেকেই।

20180522_172531.jpg

মসজিদের মিনারটি অনেক বড়।
যেটা মসজিদের সৌন্দর্য্য বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনি কয়েকমাইল দুর অবদি এই মিনার দেখতে পাবেন। আর এই মিনারের চুড়ায় উঠলে আপনি কয়েকমাইল অবদি বাংলার প্রকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখতে পাবেন। মিনারের চুড়ায় উঠে ঠান্ডা বাতাস যখন গা ছুয়ে যায় আহঃ কি শান্তি। বাংলার প্রকৃতি তখন আরোও ভালো লাগে।
প্রেমে পড়ে যাই হে ধরণি
প্রেমে পড়ে যাই
সকাল দুপুর বিকাল সন্ধ্যা রাতে
যখনি শুনি তোমার এই আজানের ধ্বনি।
স্পর্স যখন পাই তোমার
অবলীলায় ছুয়ে যায় মন
এ প্রশান্তি অন্য কোথাও কি আছে.?
জানে না বাংলার জনগন।

মিনার | Ecency