মসুরের ডাল,বুটের ডাল দিয়ে। সুস্বাদু মান কচু রান্নার রেসিপি
আসালামুআলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন।আশা করি সবাই ভালো আছেন।
বন্ধুরা,মানকচুকে অনেক ঔষধি সবজি বলে থাকে।মানকচুর অনেক ঔষধি গুন রয়েছে।যেমন, সহজে হজম হয়। দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সর্দি-কাশি দূর করে।এছাড়া অনেক ঔষধি গুন রয়েছে।মানকচু সুস্বাদু একটি সবজি। পুষ্টিও আছে অনেক।মানকচু দিয়ে বিভিন্ন রকমের তরকারি রান্না করা যাই খেতেও খুব সুস্বাদু।মানকচুর একটা রেসিপি আপনাদের সাথে আগে শেয়ার করেছি।
বন্ধুরা,মানকচু দিয়ে আজকে আমি অন্য করকম একটা তরকারি রান্না করেছি।মায়ের থেকে শিখা।ছোট বেলাই আমার মা মান কচু দিয়ে এই রকম তরকারি রান্না কত।আমরা খেতে খুব পছন্দ করতাম।তাহলে কথা না বারিয়ে মসুর ডাল,বোটের ডাল,মানকচু তরকারি কিভাবে আমি রান্না করেছি। ধাপে ধাপে আপনাদের দেখায়।
...উপকরণ...
1/ মাঝারি আকারের মান কচু 3-টি,
2/ মসুর ডাল 1/2 কাপ,
3/ বুটের ডাল 1/3 কাপ,
4/ টমেটো 2-টি,
5/ কাঁচা মরিচ 6-7 টি,
6/ পেয়াজ 1-টি,
7/আদা বাটা 1/3 চামচ,
8/ রসুন বাটা 1/2 চামচ,
9/ লাল মরিচ গুড়া 1/3 চামচ,
10/ হলুদ গুড়া 1/2 চামচ,
11/ জিরা,ধনিয়া গুড়া 1/3 চামচ,
12/ এলাচ,দারুচিনি,লং,গুল মরিচ গুড়া 1/3 চামচ,
13/ তেজপাতা 1-টি,
14/ সয়াবিন তেল 4-চামচ,
15/ লবণ স্বাদ মত,
16/ ধনে পাতা পরিমাণ মত,
প্রথমে মান কচু গুলো ছিলে নিয়ে।পাতলা করে মাঝারি আকারে টুকরো করে নিবো।তারপর মসুর ডাল,বটের ডাল, মান কচুর টুকরো গুলো ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবো।ডাল গুলো ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখবো 10 মিনিট।ডাল ভিজিয়ে রাখলে তারাতারি সিদ্ধ হয়।
তারপর চুলায় একটা প্যানে চার চামচ সয়াবিন তেল দিবো।তেল গরম হলে কাঁচা মরিচ,পেয়াজ কুচি দিয়ে হালকা ভাজবো।
কাঁচা মরিচ,পেয়াজ হালকা ভাজা হলে।আদা,রসুন বাটা,তেজপাতা প্যানে দিয়ে চামচ দিয়ে নেড়েচেড়ে নিবো।
তারপর একে একে সব মসলা এবং টমেটো টুকরো প্যানে দিয়ে। মসলা গুলো কিছুক্ষণ কষাবো।
বন্ধুরা,মানকচুর এই তরকারি রান্নার জন্য মাংসের মধ্যে যেই মসলা দিয়ে থাকি।সেই মসলা গুলো মানকচু তরকারিতে ব্যবহার করেছি।
মসলার সাথে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে রাখা মসুর ডাল,বুটের ডাল প্যানে দিয়ে দিবো।
তারপর ধুয়ে রাখা মান কচুর টুকরো গুলো প্যানে দিবো।
মান কচু,মসুরের ডাল,বুটের ডাল পাঁচ মিনিট চুলার মাঝারি আঁচে কষাবো।
পাঁচ মিনিট পর কষানো হলে।মানক কচু সিদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণ মত পানি দিবো।তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলা আঁচ মাঝারিতে রেখে দশ মিনিট রান্না করবো।খেয়াল রাখতে তরকারি যেনো প্যানে লেগে না যাই তাই কিছুক্ষণ পর পর চামচ দিয়ে নেড়েচেড়ে দিতে হবে।
দশ মিনিট পর ঢাকনা উঠিয়ে দেখবো।মানকচু সিদ্ধ হয়েছে কি না।মান কচু সিদ্ধ হয়ে ঝোল হালকা শুকালে ধনে পাতা মান কচু উপর ছিটিয়ে দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিবো।
তারপর গরম গরম পরিবেশন করবো।গরম ভাতের সাথে।
বন্ধুরা,মান কচুর এই তরকারি থাকলে মাছ,মাংস লাগবে না।আমার মান কচু,মসুরের ডাল, বুটের ডালের তরকারি আপনাদের ভালো লাগলে। অবশ্যই ঘরে তৈরি করে খেয়ে দেখবেন। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
আর একটা পরামর্শ মান কচু রান্না সময় রসুন কুচি অথবা রসুন বাটা একটু বেশি দিবেন।তাহলে গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।
// ধন্যবাদ \