আসালামুআলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই ভালো আছেন।
বন্ধুরা, কাঁকরোল খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টি গুনে ভরপুর একটি সবজি।এই সবজিটি আমাদের দেশে পাওয়া যায় গ্রীষ্ম এবং বর্ষাকালে।কাঁকরোলে রয়েছে প্রচুর খনিজ,ভিটামিন সি,আয়রন,ফলিক অ্যাসিড।এছাড়া কাঁকরোলে রয়েছে প্রাকৃতিক ঔষধি গুন।কাঁকরোল দিয়ে বিভিন্ন রকমের তরকারি রান্না করা যাই।যেমন,কাঁকরোল দিয়ে মাছ,কাঁকরোল দিয়ে মাংস,কাঁকরোল ভাজি,কাঁকরোল ভর্তা।কাঁকরোল দিয়ে সব তরকারি খুবই সুস্বাদু হয়ে থাকে।আজকে আমি কাঁকরোল দিয়ে ব্রয়লার মুরগির মাংসের তরকারি রান্না করেছি।কাঁকরোল দিয়ে ব্রয়লার মুরগির মাংসের মজাদার তরকারি কিভাবে রান্না করেছি আমি তা আপনাদের ধাপে ধাপে দেখাবো।তাহলে চলোন।
...উপকরণ...
1/ কাঁকরোল 500 গ্রাম,
2/ ব্রয়লার মুরগির হাড় যুক্ত মাংস 250 গ্রাম,
3/ টমেটো -3 টি,
4/ পেয়াজ 2-টি,
5/ আদা বাটা 1/2 চামচ,
6/ রসুন বাটা 1/2 চামচ,
7/লাল মরিচ গুড়া 1/2 চামচ,
8/ হলুদ গুড়া 1/3 চামচ,
9/ জিরা,ধনিয়া গুড়া 1/2 চামচ,
10/ এলাচ,দারুচিনি,লং,গুল মরিচ গুড়া 1/3 চামচ,
11/ তেজপাতা 2-টি,
12/ সয়াবিন তেল 4-চামচ,
13/ লবণ স্বাদ মত,
প্রথমে কাঁকরোল গুলোর ছিলে নিয়ে।সব গুলো কাঁকরোল মাঝারি আকারের টুকরো করবো।তারপর ব্রয়লার মুরগির মাংস গুলো মাঝারি আকারের টুকরো করে।পরিষ্কার পানি দিয়ে কাঁকরোল এবং ব্রয়লার মুরগির মাংস আলাদা আলাদা ভাবে ধুয়ে নিবো।
চুলায় একটা পাতিলে চার চামচ সয়াবিন তেল দিবো।তেল গরম হলে পাতিলে পেয়াজ কুচি,তেজপাতা দিয়ে ভাজবো।
পেয়াজের রং হালকা পরিবর্তন হলে।আদা,রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজবো।
পেয়াজ কুচি,আদা,রসুন বাটা ভাজা হলে।একে একে সব মসলা এবং টমেটো টুকরো পাতিলে দিয়ে।চুলার মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ কষাবো।
মসলা কষানো হলে।ধুয়ে রাখা কাঁকরোল মুরগির মাংস পাতিলে মসলার সাথে দিবো।
কাঁকরোল এবং ব্রয়লার মুরগির মাংস চামচ দিয়ে। নেড়েচেড়ে মসলার সাথে মিশিয়ে পাঁচ মিনিট কষাবো।চুলার মাঝারি আঁচে।খেয়াল রাখতে হবে কাঁকরোল,মুরগির মাংস মসলার সাথে কষানো সময় কিছুক্ষণ পর পর চামচ দিয়ে নেড়ে দিতে হবে। না হলে মসলা পাতিলে লেগে যেতে পারে।আর মসলা পুড়ে গেলে অথবা পাতিলে লেগে গেলে তরকারির স্বাদ নষ্ট হয়ে যাই।
পাঁচ মিনিট পর কাঁকরোল এবং ব্রয়লার মুরগির মাংস কষানো হলে।পরিমাণ মত পানি দিবো কাঁকরোল মুরগির মাংস সিদ্ধ হওয়ার জন্য।তারপর একটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলার মাঝামাঝি আঁচে রান্না করবো দশ মিনিট।কাঁকরোল সিদ্ধ হতে বেশিক্ষণ সময় লাগেনা।
দশ মিনিট পর দেখবো কাঁকরোল সিদ্ধ হয়েছে কি না।কাঁকরোল সিদ্ধ হলে।তরকারির ঝোল কাঁকরোল এবং মুরগির মাংসের গায়ে গায়ে হলে চুলা বন্ধ করে দিবো।
তারপর গরম গরম পরিবেশন করবো।গরম ভাতের সাথে।তবে কাঁকরোল এবং ব্রয়লার মুরগির মাংসের এই তরকারি ভাত,পোলাও এবং রুটি দিয়ে খেতে অনেক ভালো লাগে।
বন্ধুরা,কাঁকরোল দিয়ে ব্রয়লার মুরগির তরকারি আপনাদের ভালো লাগলে।ঘরে অবশ্যই রান্না করে খেয়ে দেখবেন।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
//ধন্যবাদ সবাই ভালো থাকবেন\