আমি আব্বাস আলী একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। চাকুরীর পাশাপাশি আমি লিখতে পছন্দ করি। কবিতা কিংবা উপন্যাস সেই ভার্সিটি জীবন থেকেই লেখা শুরু। নিজে নিজে লিখে লিখে জড়ো করি ঘরে শেয়ার করার জায়গা পাই না মিডিয়ার ঝড়ে।
আজ থেকে প্রায় এক মাস আগে আমি এআই কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে উপন্যাস কিংবা কবিতা লিখে শেয়ার করা যায় এমন কোন প্লাটফর্ম কিংবা ব্লগিং সাইট কি আছে।তখন এআই আমার সামনে বিভিন্ন সাইট তুলে ধরে তার মধ্যে hive.blog ছিল। এরপর থেকে আমি এখানে অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করি এবং অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করি।
এরপর থেকে আমি প্রায় এক মাস এটি নিয়ে ঘাটাঘাটি করেছি। আমি এখানে বিভিন্ন কমিউনিটি দেখেছি।দেখতে পেলাম বাংলাদেশের লেখা তাই সেটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করে দেখলাম এখানে আছে বিডিকমিউনিটি। অনেক ঘাটাঘাটির পর আজকে আমি প্রথম পোস্ট করলাম এখানে।আমার লেখা প্রথম কবিতা আজকে শেয়ার করলাম।
কবিতাটি লিখেছিলাম আমার জন্মস্থান গ্রামের ছোট নদীটির স্মৃতিচারণ করার জন্য। পড়ে দেখুন আমার কবিতাটি।নিচের লাইনে শুরু হল কবিতা।
ছায়াঘেরা সুনিবিড় সেই গ্রামখানি পাশে বহে ছোট নদী, এলংজানি।
অনেক কালের চেনা এই নদীর তীর অদূরে আমার ছিল ছোট্ট কুটির।
নদী ষতটে বালুকায় সেই ছেলেবেলা ধূলিমাখা চরণে করেছি খেলা।
খেলার সাথী ওরা ছিল কৈশোরে তীরে তীরে ভ্রমেছি হৈহুল্লোড়ে।
গ্রীস্মের খরতাপে অগভীর জলে ওই পারে ফিরেছি নাহিবার কালে।
বর্ষায় ভরা নদী, ভাসে দু'কুল অশান্ত জল দেখে হয়েছি ব্যাকুল।
জোছনাভরা কত শারদনিশি কূলে ফিরে দেখেছি পূর্ণিমা শশী।
রোদমাখা পৌষের প্রভাতবেলা নদীতটে ভ্রমেছি কখনো একলা।
কুলঘেঁষে বয়ে চলা পথটি শুরু দু'ধারেতে ছোট বড় বৃক্ষ তরু।
এই চেনা নদীকূল, এই মেটোপথে কত না প্রহর গেছে দিবানিশি প্রাতে।
উদাস দুপুর ক্ষণ, বৃক্ষ ছায়ায় বসেছিনু নদীকূল প্রকৃতির মায়ায়।
উল্লাসে মেতেছি আমরা ক'জন প্রশান্তি আনিত দখিনা পবন।
চিরচেনা সেই নদী বহিছে সুদূর ভাবনার বাঁশিতে বিষাদের সুর।
যেথায় যেমন থাকি গাহি নিরবধি অনন্ত স্মৃতিময় ওহে ছোট নদী।
স্বত্ব: এটি [আব্বাস আলী]-এর স্বরচিত কবিতা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।