সাধারনত কালী পুজার পরের দিনই দেবী বিসর্জন দেওয়া হয়।এই সময় নানা আয়োজনের মাধ্যমে তাকে বিসর্জন দেওয়া হয়।হিন্দুরা মনে করে যে মা আসার সময় থেকে যাওয়ার সময় পর্যন্ত আনন্দের মধ্যে থাকতে পারেন।মা কে বিসর্জন দেওয়ার আগে দর্পন বিসর্জন দেওয়া হয়.দর্পণ বসর্জন বলতে একটা হারির মধ্যে জল নিয়ে মা গঙ্গা পূজা করা হয় .মা গঙ্গা কে আগমন করে তার মধ্যে মা কে বিসর্জন দেওয়া হয়.বিসর্জনের সময় তাকে ধুপ,ধুনা দিয়ে পবিত্র করা হয়। তাছাড়া তাকে মন্দিরের পুজা করা হয় তার চারিদিক দিয়ে ৭ বার ঘুরান হয়। মহিলারা তাকে সিন্দুর দিয়ে সাজিয়ে দেন।দর্পন বিসর্জনের সময় হারির মধ্যে জলে মার পা দেখা হয় ...আর এই ভেবে মা কে দর্পন বিসর্জন করা হয়.প্রথমে মার্ দর্পণ বিসর্জন করে পুরোহিতরা.পুরোহিতরা করার পর তা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় . বিশ্বাস করা হয় দর্পন বিসর্জনের মধ্যে মার্ মূল বিসর্জন করা হয়মাকে বুড়িগঙ্গা নদীতে বিসর্জন দেওয়া। কারন হিন্দু মতে নদী সবচেয়ে পরিত্র। তাই সব দেবীকে নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়.ঢাকাতে পুকুর না থাকার কারণে সাধারণ বুড়ীগঙ্গাতেই বেশি দেবীই বিসর্জন করা হয়.কিন্তু ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মা কে মন্দিরের পুকরেই বিসর্জন করা হয়
দেবী বিসর্জন | Ecency
GIVING BACK SUNDAYS!!! 100% Contribution to @FAMILYPROTECTION and @CRYPTOPIE of my Sundays Postsjoalvarez ·