বর্ষায়
চুড়ার তাজ দিয়ে আজ
মেঘ আসে যায়।
বায়ুবৈরী কদম তৈরী
বরণ বর্ষায়।
বজ্র চমকে বৃষ্টি থামে
ডাকে গুরুম গুরুম ।
এলো বর্ষা মেঘ ফর্সা
বারিধারা শুরু।
ময়ুর সেজে পেখম লেজে
নাচে মন ভোলে।
গোধুলী বেলা আবির খেলা
লালা গান টোলে।
নিশীত জামেনি ফোটা কমেনি
মুখরিত ভেসে।
বকুল মালা সুবাস ডালা
মরু মনে এসে।
তন্দ্রহারা দুহাত বারা
আসে হাসনাহেনা।
স্মৃতি বুনি বিলাপ শুনি
প্রথম লেনা দেনা।
কিকো পাশরি বিরহ বাশরি
আঁখি টল মল।
রিমঝিম শিম শিম
ঘণ ঘণ জল।
দেশ
বৃষ্টি ভেজা রোদে পোড়া আমার এ দেশ ভাই
সারা বিশ্ব ঘুরে দেখি এমন দেশ তো নাই।
সবুজ সবুজ আরো সবুজ দিগন্ত জোড়া,
গ্রীষ্মকালে ছুটে চলে তপ্ত রোদের ঘোড়া।
বর্ষা, বরণ বর্ষা স্মরণ, নদী নাও পাল,
জেলে, জাল, হাওর, বাওর, মন মাঝি হাল।
শিউলি শরৎ, পদ্ম শালুক, শপলা দীঘি,
জোৎস্না রাতে চাঁদের কিরণ করে ঝিকিমিকি।
হাজার কোটি তারার মেলা রাত দুপুরে জ্বলে,
হেমন্তের পাকা ফসল বাংলা মায়ের কোলে।
শীতে কাঁপন পিঠের স্বপন ছেলে বুড় ভাবে,
পিঠা, পুলি পায়েশ, এটা, সেটা মজা করে খাবে।
ফুল ফোটা পাখি ডাকা বসন্ত কাল আসে,
কমল কমল মনের মানুষ আনন্দে ভাসে।
আমার সোনার বাংলা রুপের নেই শেষ,
ধন্য মোড়া ধন্য তুমি আর ধন্য বাংলাদেশ।