রাতে গ্রামের রাস্তায় টর্চ লাইট ব্যবহার করার সময় কিছু লোক আছে যারা এমনভাব লাইট ধরে যে মনে হয় তারা রাস্তার রাজা।অন্ধকার রাস্তার মাঝে টর্চ লাইট ধরলে সামনের মানুষের কাছে যদি টর্চ না থাকে তাহলে সামনের মানুষটি যে কিছু দেখতে পায় না,তারা সেটা বুঝে না।আলো প্রতিফলিত হয়ে সামনের মানুষটির চোখে পড়লে সামনের মানুষ যে অন্ধের মতো হয়ে পড়ে সেটা তারা তোয়াক্কা করে না।তারা যদি লাইটটা একটু নিচুতে ধরে তাহলেই কিন্তু সামনের মানুষগুলোর সমস্যা হয় না।
মোটরসাইকেলের হেডলাইটের ক্ষেত্রেও এই ধরনের একটা অপশন রয়েছে যে সামনে অন্য কোনো যানবাহন দেখলে,লাইট ডাউন করে ফেলার।কিন্তু বেশিরভাগ চালকই এটা মানে না।সর্বদা সর্বোচ্চ আলোর লাইটটাই অন করে রাখে।
ঠিক এইরকমি আমাদের সমাজের কিছু মানুষ আছে,যারা শুধু নিজের সুবিধার কথা চিন্তা করে,অন্যের তাতে অসুবিধা হচ্ছে কিনা সেটা একদম ভাবে না।
মানুষ নিজেকে অন্যের জায়গায় রেখে চিন্তা করে না।কিন্তু অন্যের জায়গায় নিজেকে রেখে যদি চিন্তা করে তাহলেই কিন্তু বুঝা যায়, আমার এই কাজে কি অন্যের কোনো ক্ষতি হবে নাকি।
এই যে এখন করোনার সময়টাতে,এই ধরনের মানুষকে দেখা যাচ্ছে।অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হলেও বলছে না,সেটা লুকিয়ে রাখছে।লুকিয়ে রেখে যে,অন্য কেউ আক্রান্ত হতে পারে সেই কথা তারা চিন্তা করে না।অনেকেই প্রথম প্রথম হাসপাতাল থেকে পালিয়ে চলে যেতে শুনেছি।তারা শুধু নিজের বাঁচার কথা চিন্তা করেছে।কিন্তু তাদের ধারা যে আরো মানুষ আক্রান্ত হতে পারে,এটা তাদের খেয়ালি ছিলো না।তাদের কাছে নিজের জীবনই সব,বাকিদেরটা তুচ্ছ।
এইধরনের স্বার্থপর মনমানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
ধন্যবাদ