এদিকে গৃহ মালকিনকে প্রথমেই আশ্বাস দিলাম ভয় নেই প্রপোজ করবো না ( বুঝতেই তো পারছেন রোমান্টিক সময় ছিলো)। তবে বন্ধু হতে পারি কি। সম্মতি পেলাম। কিন্তু পরিচয় জানতে চাইনি। সেও দিলোনা আর আমারটাও চেপে গেলাম।তাই বলে একই পথের সারথি বলে দুজন দুজনকে তো আর এইযে, শুনছেন, আপনাকে বলছি ইত্যাদি বলতে তো আর পারবো না। যদিউ সেখানে আমরা দুজন ছাড়া আর কেউ ছিলো না তাও । তার সাথে কথা বলে ঠিক করলাম তাকে একটা নাম দেবো আর সেও আমাকে একটা নাম দেবে।তো আমি তার নাম দিলাম হিয়া, আমার সবচেয়ে প্রিয় একটা নাম। সেও আমাকে একটা নাম দিলো - স্পন্দন। তার একটা আবদার আমি রেখেছিলাম আপনি না বলে তুমি বলার।এদিকে বিকেল গড়িয়ে প্রায় সন্ধে হতে চলেছে । বৃষ্টিও কমে গেছে। বৃষ্টি হচ্ছে তবে গুড়িগুড়ি। পরিত্যক্ত মাটির ঘরটি সামান্য ঠাই দিলেও তা ছাড়ার সময় হয়ে গেছে কেননা গন্তব্য অনেক দূরে।
আমি তাকে মানে হিয়াকে বললাম আমিতো এখন ঘুরতে যাবো তুমি কি আমার সাথে ঘুরতে যাবে। হিয়া বলল চল ঘুরে আসি কোথাও। আর জানতে চাইলো কোথায় ঘুরতে যাবো আমরা। আমি বললাম চল সমুদ্র দেখে আসি সাথে নিজের মুক্তিকেও খুজে পাবো হয়তো। কথা মতো পথচলা শুরু হল। দুজন রাস্তার দুপাশে।হেটে চলেছি অজানা কোথাও ভাব নিয়ে। চারিদিক নিস্তব্ধ সাথে আমরাও। এদিকে ঠান্ডা হাওয়ায় আর গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে ভিজে চলেছি। প্রায় অন্ধকার অবস্থা তবে ক্ষণ আলোয় রাস্তাটা দেখা যাচ্ছে। সেই সাথে বজ্রপাতে আলোয় মাঝেমাঝে আলোকিত হয়ে উঠছে সবকিছু। এজন্য রাস্তা চলতে কোনো সমস্যা হচ্ছেনা। আর পাহাড়ি মাটির রাস্তা তার মধ্যে বৃষ্টি গাড়িঘোড়ার কথা তো আগেই বাদ।সম্বল একমাত্র দুটো করে চারটে পা। শুধু আমারি চারটে পা না এখানে হিয়ারো দুটি পা আছে।পাহাড়ি কাদামাটির রাস্তায় চলতে দুজনারি বেশ বেগ পেতে হচ্ছে তবে থামার কোনো উপায় নাই। তবে সামনেই নাকি সংকীর্ণ পাকা রাস্তা আছে তবে হাটতে হবে অনেক পথ।