আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন?
আজ আমি আপনাদের সাথে এমন একটি রেসিপি শেয়ার করবো যা অনেকের কাছে অপছন্দের আবার অনেকের কাছে পছন্দের।একদম ই সিম্পেল একটি রেসিপিও বটে।আমি আজ যে রেসিপিটি শেয়ার করবো তা হলো, " ঝিঙের রেসিপি। "অবাক হলেন?ভাবছেন এসব আবার কেও দেখে নাকি,লিখে নাকি অনেকে এখন ভাব্বে খায় নাকি!!
তাই রেসিপি লিখার আগে একটু বলি,ঝিঙে এমন একটি সবজি যা আমাদের শরীরের দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে,শরীর ঠান্ডা রাখে,জলশূন্যতা দূর করে।এতে আছে ভিটামিন এ ও সি।আর এই ভিটামিনগুলোর অভাবে আমাদের শরীর থেকে বিষাক্র উপাদান ও বের হয়ে যায়।অনেকেই জানেনা ঝিঙেতে থাকে ফোলেন আর তা হার্ট এট্যাক রোধে সহায়তা করে।রক্ত দূষণ দূরে তো এই সব্জির জুড়ি নেই সেই সাথে এলকোহলের প্রভাব ও নষ্ট করে।আমাদের পেটের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়।আর এই সময়ের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও উল্লেখযোগ্য যে উপকারিতাটা ঝিঙার আছে তা হলো ঝিঙা শ্বাসকষ্ট মানে এইযে হাপানি,জ্বর,সর্দি,কাশি এসব উপশমে সাহায্য করে।
টিপস:বমি বমি ভাবে ঝিঙের পাকা ৩/৪টা বিজ বেটে নিয়ে ১কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খেয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যায়।
এখন আসি রেসিপিতে,
ঝিঙে রেসিপির জন্য প্রয়োজনীয়
উপকরণ
ঝিঙা কুচি করে কাটা ৩টি
সয়াবিন তেল আধা কাপ
কাঁচা মরিচ সাতটি
পেঁয়াজ কুচি একটি
ধনিয়া গুড়ো ১ চা চামচ
গরম মসলা ১ চা চামচ
লবণ ১ চা চামচ
হলুদ গুড়ো ১ চা চামচ
চিনি ১/২ চা চামচ
রসুন কুচি ৪ কোয়া
ঝিঙে তরকারি রান্নার পদ্ধতি
স্টেপ ১ঃ
১ম এ একটা পাতিল চুলায় দিলাম ও তাতে পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল দিলাম।
স্টেপ ২ঃ
এরপর তেল গরম হয়ে গেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি,রসুন কুচি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে দিলাম।
স্টেপ ৩ঃ
এরপর পেঁয়াজ,রসুন কুচি একটু ব্রাউন কালার হয়ে আসলে তাতে মশলা গুলো সব দিয়ে দিলাম।
স্টেপ ৪ঃ
এরপর মসলার প্লেটে একটু পানি দিয়ে সেই পানিগুলোও পাতিলে দিয়ে দিলাম।
স্টেপ ৫ঃ
এরপর মসলা কিচ্ছুক্ষণ কসালাম।
স্টেপ ৬ঃ
এরপর মসলা ভালো ভাবে হয়ে আসলে তাতে ঝিঙাগুলো দিয়ে দিলাম।
স্টেপ ৭ঃ
এরপর ঝিঙাগুলো একটু নাড়িয়ে দিলাম।
স্টেপ ৮ঃ
এরপর একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিলাম ও বিশ মিনিট অপেক্ষা করলাম।
স্টেপ ৯ঃ
এরপর ঝিঙাগুলো হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেললাম।
স্টেপ ১০ঃ
এরপর প্লেটে পরিবেশন করলাম।
অনেকেই ভাবে ঝিঙা একটু পেঁয়াজ,মরিচ দিয়ে মসলা ছাড়া রান্না করলেই হলো আর তাতেই অনেকের অপছন্দ এই খাবারটা।আর অনেকেই জানেনা রান্নায় একটু চিনি ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ আরো দ্বিগুণ বেড়ে যায়।আর এভাবে একবার রান্না করেই দেখুন সত্যি ই খুব মজার হয়।সিম্পেল রান্নাকে এভাবে রান্না করে মজাদার বানিয়ে ফেলুন আর এভাবেই নিজের শরীরের যত্ন নিন কারণ স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই সুস্থ একটি স্বাস্থ্য পাবেন।ধন্যবাদ সকলকে।আর মজার ব্যাপার এটিই আমার ১ম ঝিঙে রান্না,আম্মুর কাছ থেকেই শেখা।
from,
@nusuranur