No Mercy

mnoor(39)
Published in
#movie
Words
305
Reading
2 min
Listen
Play
9y

তর্কতা :- এই মুভিটা হজম করতে গেলে অবশ্যই হজম শক্তি 100% হতে হবে । গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে এমন মানুষ দেখতে গেলে হজম করে রাখা দায় । অল্পতে মাথা ঘুরায় এমন রোগ যাদের তারা এই মুভি থেকে দূরে থাকাই ভালো । না হলে চার-পাচ ঘন্টা মাথা হ্যাং হয়ে থাকবে । আর যদি ঢাকার বাসিন্দা হওয়া যায় তাহলে সাইডে অবশ্যই অবশ্যই এমন একজন রাখতে যে মুখ(হা) বন্ধ করার কথা মনে করিয়ে দিবে।

বিশেষত্ব - এই মুভিটার ক্ষেত্রে আগে থেকে একফোঁটাও ধারনা করা যায় না যে শেষটা কি হবে ।

এবার আসল কাহিনীর দিকে যাই - মুভির প্রধান ক্যারেক্টার পেশায় একজন ফরেন্সিক ডাক্তার। যার অবস্থানে তিনি ছিলেন বিখ্যাত । একটা মেয়ে মাত্র, স্ত্রী মারা গিয়েছে অনেক আগেই। মেয়ে অন্য স্টেটে স্টাডি করতো । লাস্ট 13 বছর তার সময় কেটেছে মরা লাশের সাথে কথা বলতে বলতে । তিনি এই ভেবে আজ অনেক খুশি যে কিছুদিন পর তার মেয়ে তার কাছে ফিরে আসবে। অন্তত মেয়ের সাথে আবার ভালো সময় কাটাতে পারবে । এমন সময়ই একটা খুনের ঘটনা ঘটে । জঙ্গলে একটি মেয়ের লাশ পাওয়া যায়, যার শরীর থেকে তার মাথা, দুটি পা এবং দুটি হাত বিচ্ছিন্ন করে অত্যন্ত নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে । ডাক পড়ে সেই ফরেনসিক ডাক্তারের ।এই কেসের ইনভেস্টিগেশন এর দায়িত্ব পড়ে এক সদ্য জয়েন করা লেডি পুলিশ অফিসারের ঘাড়ে, যিনি কিনা আবার এই ডাক্তারেরই প্রাক্তন ছাত্রী । খুনিকে বের করতে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হয়না তাদের, নিজের দোষ স্বীকারও করে নেয় খুনি । খুনির সাথে ডাক্তার যখন প্রিজন সেলে একা দেখা করতে যান, তখন তিনি জানতে পারেন, খুনি আগেই তার একমাত্র মেয়েকে অপহরণ করেছে, নিজের মেয়েকে বাঁচানোর একটাই উপায় ডাক্তারকে বাতলে দেয় খুনি- “আমার বিরুদ্ধে যত প্রমাণ পেয়েছ, তার সবগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে আমাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ব্যক্তি হিসেবে জেল থেকে বের করো, তানাহলে তোমার একমাত্র মেয়ের চেহারা তোমার আর জীবনেও দেখা হবে না !” রাগে, দুঃখে, ক্ষোভে দিশেহারা হয়ে যান ডাক্তার !
কি করবেন এখন তিনি ?

29598035_1221340904666852_4668527197299877868_n.jpg