বৃষ্টি নেমেছে আজ , আকাশ ভেঙ্গে ,
হাটছি আমি এই মেঠো পথে ।
মনের ক্যানভাসে ভাসছে তোমার ছবি ।
বহুদিন তোমায় দেখি না যে ।”
গানটা এবং গান গাওয়া কন্ঠটা বন্যার অতি পরিচিতো । ঝট করে পিছনে ফিরলো সে ।
রাহুল দাড়িয়ে আছে । মুখে মিষ্টি হাসি । হাত দুটো ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে একসাথে ধরে আছে সে ।
“আর আসছো কেনো ? না আসলেই পারতা !” রাগত গলায় বলল বন্যা ।
“না । মানে . . . ইয়ে । ঐ যে রিকশা পাই নাই তো । তাই হেটে আসতে দেরি হয়ে গেছে ।” কাচুমাচু মুখে বলল রাহুল ।
–ঢং কইরো না । তোমাকে আমার চিনা আছে । তুমি ইচ্ছে করে হেটে আসছো । বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে আসার জন্য ।
চুপ করে রইলো রাহুল ।
“চুপ করে আছো কেনো !” ধমকে উঠলো বন্যা ।
“না মানে । মজা লাগতেছে ।” মুচকি হেসে বললো রাহুল।
“কি ! আমার কথাগুলা তোমার কাছে মজা লাগতেছে !” আরো রেগে গিয়ে বলল বন্যা ।
“না মানে . . . .ক্লাসে যখন কোন ছাত্রের সবচেয়ে প্রিয় টিচারটা ছাত্রটাকে ইচ্ছেমত বকে । তখন যেমন অনূভূতি হয় । আমারও ঠিক একই অনূভূতি হচ্ছে ! আপনার কল্যানে আমি আবার আমার পিচ্চিকালে পদার্পন করতে পারলাম । আপনাকে ধন্যবাদ ম্যাডাম