আবারো ওষুধি গাছের খোঁজে, সবুজ প্রকৃতির মাঝে!

Words
516
Reading
3 min
Listen
Play
6y

আমার সকল প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই।
আজ শুক্রবার সবার দিনটা কেমন কাটলো।নিশ্চয়ই সকলেই দিনটা ভাল কাটিয়েছেন।আমিও আশা রাখি আপনাদের দিনটি ভালো কেটেছে।
IMG_20200807_173354.jpg

IMG_20200807_173918~2.jpg
বন্ধুরা, বর্তমান যুগে আমাদের প্রায় বিভিন্ন প্রকার সমস্যা লেগেই থাকে।আর এই সমস্যা গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের রোগ বালাই।
বর্তমান বিশ্বে রোগ-জীবাণুর অভাব নাই।দিনের পর দিন আমরা কোন না কোন শারীরিক সমস্যায় ভুগতেই থাকি।যেমন ছোটখাটো কিছু বিষয় এই মাথাব্যথা, জ্বর, পানিশূন্যতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ইত্যাদি রোগ আমাদের প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা।ছোটখাটো এই সমস্ত রোগ হলেই আমরা ওষুধের দোকানে ছুটি ওষুধের জন্য।এই সমস্ত রোগ হলেই আমরা ওষুধের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ি, আমরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই কাছের কোন ফার্মেসির দোকান থেকে ওষুধ এনে খাই।দুর্ভাগ্যজনক হলো ছোটখাটো কিছু সমস্যার জন্য আমরা অনেকেই ঘরোয়া চিকিৎসা জানিনা।কিন্তু ছোটখাটো কিছু রোগ জীবাণু আমাদের শরীরে বাসা বাঁধলে তা আমরা ঘরোয়া চিকিৎসাতেই নির্মূল করতে পারি।
আর আমরা আমাদের বাড়ির পাশের বন-জঙ্গল কিংবা সবুজ প্রকৃতির মাঝে বিভিন্ন ঔষধি গাছ দেখতে পাই, যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী এবং বিভিন্ন রোগ জীবানু দূর করতে সাহায্য করে।
IMG_20200807_173502.jpg

IMG_20200807_173717~2.jpg
যেমন কিছুদিন আগে আপনাদের আমি একটি ঔষধি গাছের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম, আর তা হল পাথর চুনা গাছের পাতা।কারণ আমার শরীরে এসব রোগ বাসা বাধলে কিন্তু আমি শুরুতেই ওষুধের দোকানে ছুটে যাই না।আমি প্রথমত ঘরোয়া চিকিৎসা নেওয়ার চেষ্টা করি এবং বাড়ির পাশের প্রকৃতি কিংবা জঙ্গল থেকে ঔষধি গাছের সন্ধান করি।হ্যাঁ ডাক্তারের কাছে অবশ্যই যেতে হবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে, কিন্তু শুরুতেই ঘরোয়া চিকিৎসা নিতে তো ক্ষতি নেই।
তেমনি আজ আরো একটি অন্য ওষুধি গাছের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব।আর গাছটি হলো ওলট কম্বল।প্রথম ছবিতেই আপনারা গাছটি দেখতে পাচ্ছেন।এই গাছটি আমাদের অঞ্চলে ওলট কম্বল নামে পরিচিত।
IMG_20200807_173813~2.jpg

IMG_20200807_174031.jpg
এখানে আরো কিছু ছবি শেয়ার করলাম গাছটি আপনারা ভালো করে দেখে নিন।বন্ধুরা এই গাছের যে ছোট ছোট ডাল বা শাখা রয়েছে এগুলোই সংগ্রহ করতে হবে।এই ডাল টুকরো টুকরো করে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।দুই থেকে তিন ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেতে হবে।ভেজানোর দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পানিটি শরবতে পরিণত হয়।পানিতে আপনারা চাইলে পরিমাণমতো গুড় বা চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন।গুড় বা চিনি মিশিয়ে নিলে এটি আরো ভালো শরবত তৈরি হয়ে যাবে।এরপর শরবতটি আপনারা নিঃসন্দেহে খেতে পারেন।এই শরবত খাওয়ার সাথে সাথে আপনার শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়ে শরীরে নিমিষেই শক্তি ফিরে আসবে।জ্বর ও মাথা ব্যাথা সারাতে এই শরবত অত্যন্ত কার্যকরী।এছাড়া হাড়ের ক্যালসিয়াম পূরণের জন্য এই শরবত অত্যন্ত কার্যকরী।এই শরবত খেলে শরীরের দুর্বলতা কেটে যায়।
IMG_20200807_174125~2.jpg

IMG_20200807_174223.jpg
যেমন আজ সকাল থেকে আমি কিছুটা পানিশূন্যতা ও দুর্বলতায় ভুগছিলাম।তাই আজ আমি আমাদের বাড়ির পাশের সবুজ প্রকৃতির মাঝে গেলাম এই ওলট কম্বল গাছটির সন্ধানে।আমাদের বাড়ির পাশের সবুজ প্রকৃতির বাগানে এই গাছ রয়েছে, এছাড়া আমি এই গাছগুলো সংরক্ষন করে রাখি।
আমি সবুজ প্রকৃতিতে জন্ম নেওয়া সকল গাছ সংরক্ষণ করে রাখি।কারণ আমি মনে করি এই গাছগুলো যেকোন একসময় আমাদের উপকারে আসবে।এরপর আমি ওলট কম্বল গাছ থেকে কিছু ছোট ছোট ডাল সংগ্রহ করলাম।এরপর সেটি থেকে শরবত তৈরি করে খেলাম।শরবতটি খাওয়ার পর এখন আমার শরীরটা অনেক চাঙ্গা হয়ে গেছে।
বন্ধুরা এখানে আমি একটি ভিডিও শেয়ার করলাম।ভিডিওতে এটি বানানোর প্রসেস আমি দেখিয়েছি।দয়া করে আপনারা ভিডিওটি দেখে নিবেন।এই হল আমার ইউটিউব ভিডিও লিংক-

আর বন্ধুরা সবশেষে একটি কথাই বলবো, আসুন আমরা আমাদের বাড়ির পাশের সবুজ প্রকৃতি রক্ষা করি এবং সবুজ প্রকৃতি থেকে ঔষধি গাছের সন্ধান করি এবং সেই ঔষধি গাছগুলো সংরক্ষণ করে রাখি।

Add My Facebook

Follow My Twitter

Subscribe My YouTube Channel

Thank you

mdaminulislam@mdaminulislam

আবারো ওষুধি গাছের খোঁজে, সবুজ প্রকৃতির মাঝে! | Ecency