This content was muted by Hive Learners moderators for not following community guidelines.

মামার বাড়ি রসের হাড়ি(চতুর্থ দিন)

Words
301
Reading
2 min
Listen
Play
5y

received_1474221009632236.jpeg
আমার আজকের লেখাটি হবে নানি বাড়িতে কাটানো চতুর্থ দিন নিয়ে।চতুর্থ দিন অর্থাৎ আজকের দিনটি মোটামুটি ভালই কাটল।অন্য কারও জন্য দিনটি ভালো হতো কিনা জানিনা, তবে একজন ভ্রমণপিপাসু লোকের জন্য দিনটি অনেক সুন্দর ছিল।আজকে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে তারপর খাওয়া দাওয়া করলাম।খাওয়া-দাওয়া করে নানিবাড়ির স্থানীয় কিছু বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে একটা পরিকল্পনা করলাম যে,কোথাও যাওয়া যায় কিনা।তারা অনেক ভেবেচিন্তে কিছু কিছু স্থান নির্ধারণ করল যে স্থান গুলোতে ভ্রমণপিপাসু লোকজন ঘুরতে যায়।

received_887063055118212.jpeg
ওরা গোবিন্দগঞ্জ এর স্থায়ী হওয়ায় সাধারণভাবে ওরা আমার চেয়ে এখানকার স্থানগুলো বেশি ভাল চেনে।এরপর সবগুলো স্থান এক এক করে মার্ক করে এগুলোতে একটার পর অপরটিতে যাওয়ার প্ল্যান করলাম।প্রথমদিনে আমার মামাতো ভাই বোনরা একটু ব্যস্ত থাকায় ওখানকার স্থানীয় কিছু ছোট ভাইদের নিয়ে ঘুরতে গেলাম।প্রথমদিনের ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা হিসেবে আমরা নিয়েছিলাম গোবিন্দগঞ্জ জেলার বাগদা এবং ফুলপুকুরিয়া নামক স্থান।বাগদা এবং ফুলপুকুরিয়া উভয় স্থানই নানি বাড়ি থেকে ভালই দূরে ছিল।আমার সাথে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করা যে দুইজন জুনিয়র এর মাঝে একজনের বাইক ছিল।আমাদের ভ্রমণের যানবাহন হিসেবে ওই জুনিয়রের বাইকটি ব্যবহার করেছিলাম।দুপুর ১২ টায় ওই দুইজন জুনিয়রকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রমণ এর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।1:30 সময়ে আমরা বাগদা ফার্মে গিয়ে পৌছালাম। বাগদার ওই স্থানটি অনেক নিরিবিলি ছিল যেখানে আমরা গিয়েছিলাম।চারদিকে শুধু গাছপালা বাড়িঘর খুবই কম ছিল।

received_1891073047691711.jpeg
অর্থাৎ ওখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ টা অনেক সুন্দর।আমরা তিনজন মিলে ওখানে ভালো একটা সময় কাটালাম।এরপর বিকাল চারটার দিকে ওখান থেকে বের হয়ে অন্য একটি জায়গা যেটা আমরা ঠিক করেছিলাম অর্থাৎ ফুলপুকুরিয়া যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম।বাগদা থেকে ফুলপুকুরিয়া যেতে আমাদের 30 মিনিটের মত সময় লাগলো।

![received_2663635523857127.jpeg](UPLOAD FAILED)
4:30 থেকে 6:30 অবধি আমরা ওখানে সময় কাটালাম।এরপর ওখানেও ভালো একটা সময় কাটিয়ে 6:40 এ আমরা নারী বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।আটটার কিছু সময় পর এসে নানি বাড়িতে পৌঁছলাম।পরে বেশি দেরী হযওয়ায় মামা মামীরা আমাকে নিয়ে ভালোই চিন্তিত ছিলো।নানি বাড়িতে এসে আমরা ভালোই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।কারণটা হলো সারাদিনের করা ভ্রমণ। সবমিলিয়ে আজকের দিনটি অনেক সুন্দর কাটলো।আজ আপাতত এতোটুকুই। এ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এই কামনা করি।
received_607218266572362.jpeg

মামার বাড়ি রসের হাড়ি(চতুর্থ দিন) | Ecency