আসালামুআলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই,আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আজকে আমি এেবারে নতুন একটি রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
রেসিপিটির নাম হচ্ছে থানকুনি পাতা,মসুর ডালের সুস্বাদু বড়া।
থানকুনি পাতা আমরা সবাই খুব ভালো করে চিনি।থানকুনি পাতা ঔষধি পাতা হিসাবে খুব পরিচিত সবার কাছে।থানকুনি পাতার স্বাদ হালকা তিতো,কিন্তু খেতে সুস্বাদু এবং পুষ্টিও রয়েছে অনেক।
থানকুনি পাতা দিয়ে বিভিন্ন রকমের তরকারি রান্না করে খেয়ে থাকি।তবে থানকুনি পাতা দিয়ে সুস্বাদু বড়া তৈরি করা যায়।আমরা হয়তো অনেকে জানিনা।
থানকুনি পাতা এবং মসুর ডালের বড়া তৈরি করা খুব সহজ।হাতের কাছে কিছু উপকরণ থাকলে এই সুস্বাদু বড়াটি তৈরি করা যায়।
তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন,আমি কিভাবে সুস্বাদু থানকুনি পাতা,মসুর ডাল দিয়ে বড়া তৈরি করেছি ধাপে ধাপে আপনাদের দেখায়।
উপকরণ
থানকুনি পাতা 20 গ্রাম,
মসুর ডাল 1/2 কাপ,
পেয়াজ 1-টি,
আদা বাটা 1/5 চামচ,
রসুন বাটা 1/4 চামচ,
হলুদ গুড়া 1/4 চামচ,
জিরা গুড়া 1/3 চামচ,
কাঁচা মরিচ 5-6 টি,
সয়াবিন তেল 5-চামচ,
ধনে পাতা পরিমাণ মত,
লবণ স্বাদ মত,
প্রস্তুত প্রণালী,
প্রথমে মসুর ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখবো পাঁচ মিনিট।মসুরের ডাল আগে ভিজিয়ে রাখলে।ডাল বাটার সময় খুব তারাতারি বাটা হয়ে যায়।
পাচঁ মিনিট পর মসুর ডাল ধুয়ে বেটে একটা বাটিতে নিবো।
মসুর ডাল বাটা হলে থানকুনি পাতা ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবো।তারপর থানকুনি পাতা গুলো ছুড়ি সাহায্যে কুচি করে। বেটে রাখা মসুর ডালের সাথে থানকুনি পাতার কুচি বাটিতে দিবো।
তারপর একে একে সব মসলা এবং লবণ,পেয়াজ কুচি,কাঁচা মরিচ কুচি দিবো।
তবে তবে থানকুনি পাতা,মসুর ডালের বড়ার সাথে লবণ পরিমাণ মত দিতে হবে।এই বড়াটি তৈরি করার সময় কাঁচা মরিচ দিয়ে তৈরি করে খেলে আলাদা স্বাদ লাগে।
সব মসলা দিয়ে হাতের সাহায্যে ভালো করে দুই মিনিট মেখে নিবো।দুই মিনিট মেখে কিছুক্ষণের জন্য ঢেকে রেখে দিবো।
থানকুনি পাতা,ডাল মাখানো সময় আমি পানি দিয়ে মাখি না।পানি দিয়ে মাখানো হলে পাতলা হযে যাবে এবং বড় তৈরি করা যাবে না।
কিছুক্ষণ পর,চুলায় একটা প্যানে সয়াবিন তেল দিবো।তেল গরম হলে হাতের সাহায্যে গোল গোল করে প্যানে দিয়ে ভাজার জন্য ।
আমি বড়া ভাজতে সয়াবিন তেল দিয়েছি।আপনারা চাইলে সরিষা তেল দিয়ে ভাজতে পারেন।সরিষার তেল দিয়ে বড়া ভাজলে খাওয়ার সময় স্বাদ অসাধারণ লাগবে।
বড়া তেলে দিয়ে, চুলার মাঝারি আঁচে ভাজবো।না হলে বড়ার উপরের দিকটা হয়ে যাবে ভিতরে কাঁচা থেকে যাবে।
থানকুনি পাতা,মসুর ডালের বড়ার এক পাশ হয়ে এলে অন্য পাশ উলটাই দিবো।
বড়া গুলো লাল লাল হলে।প্যান থেকে চামচের সাহায্যে তুলে একটা প্লেট নিবো।
থানকুনি পাতা,মসুর ডালের বড়া বিকেলের নাস্তা হিসাবে খাওয়া যাই।এছাড়া গরম ভাতের সাথে খাওয়া যাই।
তবে এই বড়া যে ভাবে খেয়ে থাকে না কেন খেতে কিন্তুু অসাধারণ।
সুস্বাদু থানকুনি পাতা,মসুর ডালের বড়া আপনাদের ভালো লাগলে ঘরে তৈরি খেয়ে দেখবেন।
ধন্যবাদ,