আসালামুআলাইকুম,
অনেক দিন পর আবার আমি চলে এসেছি নতুন একটি রেসিপি নিয়ে।
বিকেলে নাস্তা ছাড়া যেনো আমাদের চলে না। সচরাচর আমরা বিকেলে হালকা নাস্তা করে থাকি।যেমন বিকেলে চায়ের সাথে বিস্কুট অথবা দোকানের তৈরি কোনো নাস্তা।তবে দোকানের নাস্তা না খেয়ে যদি ঘরে তৈরি করা কোনো নাস্তা বিকেলের নাস্তা হয়।তাহলে বিকেলের নাস্তা করার অনুভতি অন্যরকম লাগে।
আলু সুস্বাদু একটি সবজি,আলু দিয়ে বিভিন্ন রকমের তরকারি এছাড়াও বিভিন্ন রকমে নাস্তা তৈরি করা যাই।খেতেও অনেক সুস্বাদু ।
আজকে আমি আলু দিয়ে বিকেলের নাস্তা তৈরি করেছি।
আলু দিয়ে নাস্তাটির নাম হচ্ছে আলু পাকোড়া।চার পাঁচটা আলু দিয়ে খুব সহজে সুস্বাদু আলু পাকোড়া তৈরি করা যাই।
তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন সুস্বাদু আলু পাকোড়া কিভাবে আমি তৈরি করেছি ধাপে ধাপে আপনাদের দেখায়।
উপকরণ
আলু 4-টি,
ময়দা 1-কাপ,
পেয়াজ 3-টি,
কাঁচা মরিচ 8-9 টি,
আদা বাটা 1/5 চামচ,
রসুন বাটা 1/3 চামচ,
হলুদ বাটা 1/5 চামচ,
ম্যাজিক মসলা প্যাক 1-টি,
সয়াবিন তেল 7-চামচ,
ধনে পাতা পরিমাণ মত,
লবণ স্বাদ মত,
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে আলু গুলো ছিলে, তারপর পানিতে ভিজিয়ে রেখে একটা বাটিতে ধুয়ে নিবো।
আলু গুলো এবং ধনে পাতা ছুড়ি দিয়ে চিকন কুচি করে একটা বাটিতে নিবো।
বাটিতে কুচি করা আলুর সাথে একে একে সব মসলা, লবণ,এক কাপ ময়দা এবং পেয়াজ কুচি,কাঁচা মরিচ কুচি,দিয়ে দিবো।
আমি আলু পাকোড়াতে কাঁচা মরিচ বেশি
দিয়েছি। পাকোতে ঝাল হলে আমার খেতে খুব ভালো লাগে।আপনারা চাইলে কাঁচা মরিচ কম দিতে পারেন।
সব মসলা দেওয়ার পর ম্যাজিক মসলা প্যাক কেটে পাকোড়া মাখানোর আগে দিয়ে দিবো বাটিতে।তারপর অলপ পানি দিয়ে হাতে সাহায্যে মেখে নিবো।
পাকোড়াতে ম্যাজিক মসলা দিলে লবণের পরিমাণ কম দিতে হবে।কারণ ম্যাজিক মসলায় সব রকমের মসলা এবং লবণ দেওয়া থাকে।সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
আলু পাকোড়া মাখানো হলে পাঁচ মিনিট ঢেকে রেখে দিবো।
পাঁচ মিনিট পর চুলায় একটা প্যানে সাত চামচ তেল দিবো।তেল গরম হলে আলু পাকোড়া গুলো হাতের সাহায্যে ছোট ছোট করে প্যানে দিয়ে দিবো।
আপনারা চাইলে আলু পাকোড়া জন্য আলু গুলো ছুড়ি দিয়ে না কেটে আলু কুচি করার মেশিন দিয়ে কুচি করতে পারেন।
তবে ছুড়ি দিয়ে আলু কুচি করে।পাকোড়া তৈরি করলে মুচমুচে হয় আর খেতেও ভালো লাগে।
আলু পাকোড়া গুলো চুলার মাঝারি আঁচে ভাজব।এক পাশ হলে অন্য পাশ উলটায় দিবো।
আলু পাকোড়ার রং লাল লাল হলে চামচের সাহায্যে একটা
প্লেট তুলে নিবো।
আলু পাকোড়া গরম গরম টমেটো সস দিয়ে খেতে অসাধারণ লাগে।
আমার রেসিপিটি আপনাদের ভালো লাগলে। ঘরে বিকেলের নাস্তা জন্য তৈরি করে খেয়ে দেখবেন।
ধন্যবাদ,