শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে নাও।
যান্ত্রিক যুগে আমাদের লাইফ টাও কেমন জানি যান্ত্রিক হয়ে গেছে।সারাদিন অফিস তারপর বাসাই ফেরা, বাসাই ফিরে গোসল খাওয়া শেষ করে মোবাইল অথবা ল্যাপ্টপের সামনে বসে থেকে ফেসবুকিং অথবা ইন্সট্রাগ্রাম তারপর ঘুম এভাবেই কাটে প্রতিটা দিন। এর বাইরে যেন আমরা কিছু ভাবতেই পারিনা এমন কি ভাবার সময়ও পাইনা। এসবের মাঝে ডুবে থাকতে থাকতে মাঝে মাঝেই মন হয় “ইস, যদি আরেকটু সময় পেতাম! যদি একটু বাইরে ঘুরে আসতে পারতাম!” হুম! শত ব্যস্ততার গণ্ডী পেরিয়েও আমরা চাইলেই আমাদের কাজের মাঝখান থেকে কিছুটা সময় বাঁচিয়ে নিজের জন্য কিছু সময় দিতে পারি, বেরিয়ে আসতে পারি এই যান্ত্রিক জীবন থেকে তার জন্য দরকার আমাদের কিছু ফলো ওয়ার্ক। আর এসব ফলো ওয়ার্ক নিয়েই আজকের পাঠে আলোচনা করব।
১। দৈনন্দিন কাজের জন্য একটা রুটিন তৈরি করে নাওঃ
যদি দিনে তোমার অনেক গুলো কাজ করতে হয় তাহলে দিনের শুরুতেই একটা রুটিন তৈরি করে নাও যে কোন কাজটার পর কোন কাজটা করবে এবং কাজ গুলোর জন্য সময় ভাগ ভাগ করে নাও।তাহলে সারাদিন তোমার একটা কাজ শেষ করার পর ভাবা লাগবে না যে এখন কোনটা করব এটা না ওটা ।আগে থেকেই যদি একটা তালিকা করে রাখ তাহলে এটা ভাবার জন্য আলাদা করে কোন সময় অপচয় হবে না এবং নিদ্রিষ্ট সময়ের মধ্যে তুমি তোমার কাজ গুলো কমপ্লিট করতে পারবে।
২।কাজের প্রতি মনোযোগী হওঃ
আমাদের মাথার ভিতর যদি অনেক গুলো কাজ ঘুরপাক খেতে থাকে তাহলে আমরা কোন কাজ মনোযোগি হতে পারিনা আর কাজের প্রতি মনোযোগ না থাকলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই কাজ টা শেষ করতে স্বাভাবিক সময়ের থেকে বেশি সময় লাগে। তাই যখন যে কাজ টা করবে শুধু সেই কাজটার উপর ফোকাস হও অন্য সব কাজ গুলোকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল।আর সল্প সময়ের ভিতর কাজ টা শেষ করে কিছু সময় বাচিয়ে নাও।
৩।সময়কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করঃ
সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার টা কর।যেভাবে কাজ করলে তোমার সময়ের কোন অপচয় হবেনা সেভাবেই কাজগুলো কর।বড় বড় কাজের ফাকে ছোট ছোট কাজ গুলো সেরে নাও।যেমন ; তোমার যদি কারো সাথে কোন মিটিং থাকে এবং তার জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে সেই সময়টুকুর মধ্যে করা যায় এমন কাজ গুলো করে ফেলতে পার।
৪।অফিসের কাজ বাসাই না নিয়ে যাইঃ
Source
আমরা অনেকে সময় অফিসের কাজ অফিসে শেষ না করে বাসাই নিয়ে আসি।এটা একদমই ঠিক না অফিসের কাজ অফিসেই শেষ করে আস।অফিসের কাজ কখনও বাসাই নিয়ে আসবে না তুমি যদি অফিসেও অফিসের কাজ কর আবার বাসাই এসেও অফিসেরই কাজ কর তাহলে তোমার নিজের জন্য সময় কমে যাবে।আর পরিবারের জন্য।
৫।প্রয়োজন পড়লে কিছুটা কাজ কমিয়ে নাওঃ
একদিনে যদি বেশি কাজের চাপ পড়ে যাই তাহলে কিছুটা কাজ কমিয়ে নাও।দরকার হলে যেটা কম দরকারি সেটা পরবর্তী দিনের জন্য রাখতে পার । তাহলে নিজের জন্য কিছুটা সময় বেঁচে যাবে।