বেকারদের আয়ের সুবর্ণ সুযোগ

hamidul(36)
Published in
#turkey
Words
442
Reading
2 min
8y

Image and video hosting by TinyPic

টার্কি মুরগী বর্তমানে বিরাট সম্ভাবনাময় আয়ের পথ। শিক্ষিত যুবকরা কৃষির এই সেক্টরটা বেছে নিচ্ছে এবং লাভবান হচ্ছে।

দ্রুতটার্কি পাখি পালন জনপ্রিয় হওয়ার কারনঃ-
১। টার্কির মাংস সুস্বাদু এবং মাংস উৎপাদন ক্ষমতাও ব্যাপক ।
২। এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা যায় ।
৩। টার্কি পাখি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে দ্রুত বাড়ে ।
৪। টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারণ এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি শাক, ঘাস,লতাপাতা খেতেও পছন্দ করে ।
৫। টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, চর্বি কম । তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে এ পাখির মাংস।
৬। টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদানগুলো মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। এবং নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
৭। টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীওে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ।
৮। টার্কির মাংসে ভিটামিন ই অধিক পরিমাণে থাকে ।
৯। টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির সোভা বর্ধন করে ।

is (1).jpg

এক নজরে টার্কি

১। ডিম দেয়া শুরুর বয়স ৩০ সপ্তাহ ।
২। পুরুষ ও স্ত্রীর অনুপাত ১ :৪ অথবা ১:৫ থাকলেই চলে।
৩। বছরে গড়ে ৮০ থেকে ১০০টি ডিম দেয়।
৪। ডিম ফুটে বাচ্চা বেড় হয় ২৮ দিনে ।
৫। ২০ সপ্তাহে পুরুষ পাখীর গড় ওজন হয় ৬-৭ কেজি এবং স্ত্রী পাখীর ৩-৪ কেজি ।
৬। ১৪ থেকে ১৫ সপ্তাহই পুরুষ পাখির বাজারজাত করনের সঠিক সময়। আর স্ত্রী পাখীর ১৭-১৮ সপ্তাহ ।

is (2).jpg
আমাদের দেশে টার্কির বাজার ব্যাবস্থা ঃ-

টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে। যাদের অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু/ খাসীর মাংস খায়না, টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ-ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার। এবং গরু/ খাসীর তুলনায় খরচ ও হবে কম ।
বাণিজ্যিক খামার করলে এবং মাংস হিসেবে উৎপাদন করতে চাইলে ১৪/১৫ সপ্তাহে একটি টার্কির গড় ওজন হবে ৫/৬ কেজি । ৪০০ টাকা কেজি দর হিসেব করলে একটি টার্কির বিক্রয় মূল্য দাঁড়াবে ২০০০/২৫০০ টাকা। ১৪/১৫ সপ্তাহ পালন করতে সর্বোচ্চ খরচ পরবে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা । তাহলে কমপক্ষে একটি টার্কি থেকে ৫০০ টাকা লাভ করা সম্ভব।
বর্তমানে ছোট আকারের খামার করার যে চাহিদা দেশব্যাপী তৈরি হয়েছে, তাতে আগামী ৩/৪ বছরে কয়েক লাখ টার্কির প্রয়োজন হবে। এবং সে ক্ষেত্রে দাম ও বেশি পাওয়া যাচ্ছে । ৩০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত বয়স ও রং ভেদে টার্কির জোড়া কেনা বেচা চলছে ।

আমারা যারা অনলাইনে কাজ করি, আমাদের কিছুটা সময় এই পাখির পিছনে ব্যয় করলে আনন্দের পাশাপাশি ভাল আয় আসবে।

আমার এই লেখাটি আপনাদের কারো উপকারে আসলে মতামত দিবেন।hamidul@hamidul

বেকারদের আয়ের সুবর্ণ সুযোগ | Ecency