“কবিতা, গান এবং আমি ”
-- হামিদুল হক তরুন
প্রথম কবিতা এবং শেষ কবিতা
মাঝখানে একটি গান
যেটা প্রত্যেকের নিজের গান
যেখানে নেই নতুনত্বের বাড়াবাড়ি
কিংবা কল্পনার দৌরাত্ব।
ব্যতিক্রমী নয় অতি চেনা সুর
অথচ রচয়িতা বিভিন্ন জন।
প্রথম কবিতাটি তাকে নিয়ে লেখা
যে আমাকে ডেকেছিলো
মায়াবী দৃষ্টিতে, দুরন্ত সাহসে
যে সাহস বদলে দিয়েছিলো পুরো আমাকে
সবাই অবাক দৃষ্টিতে দেখতো
একটি গ্রহের পরিবর্তন।
শেষ কবিতাটিও তাকে নিয়ে লেখা
যখন সে অন্য একজন
অনেকের লক্ষ্য বিন্দু।
বহু জনের প্রসংসায় নতজানু যার শির
যেটা দেখে ঈর্শ্বন্বিত আমি
মানতে পারিনি বলে
আবার বদলে যাওয়া।
বরফ গলে জল হয়ে ছিলাম
জল থেকে হলাম মেঘ
ভাঁসতে ভাঁসতে উড়তে উড়তে
হারিয়ে গেলাম দিগন্তে।
ফিরে এসেছি সুর হয়ে
অনেকের বুকের বাম পাঁজরে
লুকিয়ে রাখা গান হয়ে
যেটা অন্যের শুনতে মানা।
স্বরচিত কষ্টের এমন গান
বহুকাল ধরে গেয়ে আসছে বহুজন।
অথচ পাশের কেউ কখনো শোনেনি
গানটি অচেনাই থাক, অজানাই থাক
যোগ দিওনা কেউ আমার দলে
ঘারিয়ে যেওনা মেঘ হয়ে
দুরে, বহুদুরে, দিগন্তে !!!
বাঙ্গালি বন্ধুরা কবিতা যদি ভাল লাগে জানিও, পারলে একটা আপভোট দিও @hamidul