হঠাৎ করে হলো দেখা চিকিৎসালয়ে, ফোন করবে কন্টাক্ট করবে এই সূত্র ধরে। চলতে চলতে কথা হলো কুশলাদির পরে। মাঝে মাঝে দেখা হতো মতমিনিময় করে। কিছু মাস যেতে যেতে মনটা কারলো সবে! কাজের জন্য হঠাৎ করে গিয়েছে ছাত্রাবাসে। বন্ধুর সাথে মজা করতে, ফাদে পরে সে। তারপর করতে চুরি বেড়ায় দূরে দূরে। দূর আকাশে ঘুরতে গিয়ে আটকা পড়লো সবে, একনিমিষেই এলোমেলো হলো দুজনে। পাখিদের বাসা ছিলো স্বহস্তে বুনা। জোড়ায় জোড়ায় একই পাখি উড়তো আকাশে। অভিমানের কমতি নাহি ছিলো গল্পেতে। সবার মিলন ঘটে গেল নিজের অজান্তে। আপনের চেয়েও আপন হয়ে গেলো তারা, সত্যি তারা বাঁচবে না আর একে অন্যের ছাড়া। হয়েছে তারা ধন্য, হবে নাকো ছিন্ন, এটাই তাদের বসুন্ধরা।