নারীর রূপের ঝলকানি সচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে শাড়ি আর গহনায়। বাহারি গহনাতে সাজের ভিন্নতা তো থাকবেই কিন্তু বতমার্ন ফ্যাশনে সাজ হওয়া চাই আরও স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল। যে কোন উৎসবে রাজ কুমারীর বেশে সেজে উঠার জন্য এবং আপনার সাঁজের পূর্ণতা পেতে গহনার কোন বিকল্প নাই। সব ধরনের পোশাকের সাথে মিলিয়ে হালকা কিছু গহনা আপনাকে আরও আকর্ষণীও করে ফুটিয়ে তুলতে পারে। চলুন স্টাইলিশ কিছু গহণা কালেকশন দেখে নেই।
বাহারি গহনা:
কোন ধরনের পোশাকের সাথে আপনি কোন ধরনের গহনা পরবেন সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি শাড়ি পরেন তাহলে শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে আপনি হাতে চুড়ি, কানে দুল এবং গলায় কিছু একটা পরুন। তবে কানের দুল যদি আপনি বড় পরেন তাহলে গলায় হালকা কিছু পরুন আর যদি কানে ছোট কোন দুল পরেন তাহলে গলায় ভারী কোন গহনা পরুন। এগুলোর সাথে হাত ভর্তি কাঁচের চুড়ি বেঁছে নিতে পারেন।
ফতুয়া ও কামিজের সঙ্গে আপনি যেকোনো ধরনের গহনা ব্যাবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি কোন উপলক্ষে সেগুলো ব্যাবহার করছেন। তবে যে গহনাটি পরবেন সেটি যেন মান্ধাত্বা আমলের না হয়। অবশ্যই আপনাকে আধুনি সাজের নতুন নতুন গহণা পরতে হবে।
সবসময় যে সোনা, রুপা অথবা হীরের গয়না পরতে হবে এমনটি নয়। আপনি ইচ্ছে করলে অনেক কম দামের মধ্যে কিছু ফ্যাশনাবল গহনা বেঁছে নিতে পারেন। আজকাল বিভিন্ন ধরনের গহনা বাজারে মাটি, কাঠ, তালপাতা, কড়ি, ড্রাই ফ্লাওয়ার, স্টোন ইত্যাদি দিয়েও অনেক আকর্ষণীও গহনা আপনি পেয়ে যাবেন। এগুলো যেমন আপনার ফ্যাশনের অংশ হবে ঠিক তেমনি আরামও পাবেন। বিভিন্ন দামের মধ্যে এসব গহনা পাওয়া যাবে।
আপনি যদি কোন জমকালো অনুষ্ঠানে যান তবে আপনাকে বেশ ভারী গহনা ব্যাবহার করাই উচিৎ হবে। তাতে আপনাকে সকলের চেয়ে আলাদা লাগবে। গহনা আপনার ফ্যাশন ও রুচির প্রকাশ করে থাকে। তাই গহনা নির্বাচনের আগে আপনাকে আপনার পোশাক ও পরিবেশের দিকে নজর রাখতে হবে।
source:http://www.beshto.com