আমার ঘুরতে যাওয়া এক দৈবিক স্থান.....

Words
1019
Reading
5 min
Listen
Play
8y

IMG_20180719_175704.jpgহ্যালো বন্ধুরা আপনাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছি আশা করছি আপনারা সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন আজকে আমি বলতে চলেছি আমার এমন কিছু অনুভবের কথা যেটা আমি নিজের জীবন অনুভব করেছি আমরা অনেক জায়গায় ঘুরতে যান সেখানে মজা করেন ঘুরেন ফেরেন অনেক কিছু খাওয়া-দাওয়া করতে যাওয়া হয় আমি ঠিক সেরকমই এক অনুভবের কথা আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাইছি আমিও ঘুরতে ভালোবাসি এখানে ওখানে যাওয়া বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানো নতুন নতুন জায়গা দেখা নতুন নতুন খাবার নতুন নতুন দৃশ্য সবুজ কিছু আশ্চর্য জিনিস সম্বন্ধে জানা নেই সেগুলো বাইরে গেলে আমরা জানতে পারি আমি গেছিলাম রিলেটিভ এর বাড়ি বোলপুর ওখানে আমি কোন প্ল্যান যায়নি যে এমনি কোথাও ঘুরতে যাব কিছু just বাড়িতে ভালো লাগছিলো না ভাবলাম যদি ঘুরে আসি ওখান থেকে তারাপীঠ যাবার সঠিক বাড়ি আসার প্ল্যান ছিল তারপরে রাত্রে প্ল্যানটা হল তারপর দিন ঠিক সারে পাঁচটার সময় আমাদের বের হওয়ার কথা ছিল যেহেতু বাড়িতে আরো অনেক পথ এসেছিল তাদের রেডি হতে মোটামুটি বেরোতে বেরোতে আটটা বেজে গেল....IMG_20180717_105357.jpg

IMG_20180717_115655.jpgএবং সেই সঙ্গে শুরু হল আমাদের শুভযাত্রা সবাই বেশ গাড়িতে গল্প করতে করতে আজ টাটা করতে করতে রাস্তায় নানারকম সিন সিনারি দেখতে দেখতে আস্তে আস্তে আমরা ঠিক পৌঁছে গেলাম বীরচন্দ্রপুর বলে একটা জায়গায় শুনেছিলাম ওই জায়গাটার অনেক কিছু মান্যতা আছে এবং বোলপুর এর লোকেরা জায়গাটা নিয়ে অনেকটা জানি এমন কিছু আছে যেটা অনুভব করেছেন বা কিছু হয়তো একটা আছে যেটা মানুষদেরকে আকৃষ্ট করে বা পোষণ করে ওই জায়গাটায় যেতে দেখলাম জায়গাটা বেশ ভালই মার্বেল বানানো মন্দির একটা বিশাল জায়গা জুড়ে একটা জায়গা ভেতরে একটা গাছ এবং অনেক বড় একটা বিল্ডিং ভেতরে ঢুকে দেখি প্রথমে লেখা ছিল যে এখন আর ফটো তোলা নিষেধ এবং কোন জিনিস করবেন না রাধা কৃষ্ণ মূর্তি পারতে কপাটি লাগানো সামনে একটা বাক্স যেখানে আমরা সবাই মিলে নিজের ইচ্ছামত কিছু কিছু দান করলাম আরো ভেতরে গিয়ে অনেক ছিল যেমন গীতার কিছু লাইন তুলে ধরা ছিল যেগুলো আমাদের জীবনকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে যেগুলো শুধু মনে হলেও যেহেতু এগুলো খুব সত্যি কথা অনেক্ষণ ধরেই তো খুব মনটা ছুয়ে গেল সেগুলো দেখতেই থাকলাম ওকে ডাকলাম বলুন দেখো কি লেখা আছে ওরা দেখে ওটা খুব মুগ্ধ হলো...IMG_20180717_104726.jpg

ওখান থেকে কিছুটা দূর যাওয়ার পর একটা ছোট্ট পুকুর দেখতে পেলাম বাইরে বোর্ড ছিল যেটাতে লেখা ছিল জুতো খুলে প্রবেশ করবেন আমরা যত আমাদের ছোট গুলো আগেই আমাদের বাড়িতে রেখে দিয়েছিলাম সে হিসেবে আমাদের কোনো অসুবিধা হলো না গিয়ে দেখতে পেলাম একটা সাধারন নির্মল শান্ত একটা পুকুর আশে পাশে গাছপালা দ্বারা বেষ্টিত এবং ঘাট তা সিমেন্ট দ্বারা বাঁধানো এখানকার লোকেরা ট্যুরিস্টদের যারা আছে তাদের কাছে আমরা জিজ্ঞেস করলাম তারা বলল যেটা শ্রীকৃষ্ণের চান করার স্থান এটা শুনে আমরা চুপচাপ পুকুরটাকে দেখতে থাকলাম. শেষমেষ ভক্তিভরে প্রণাম করে কিছু দূর থেকে কিছু টাকা দিয়ে আমরা এখন থেকে হাসতে হাসতে গল্প করতে করতে নিজের গাড়ির দিকে ওখান থেকে চলে এলাম, তারপর আমাদের নজর পড়লো একটা এক্সিবিশনে যেখানে যাওয়াটা সাধারণত নিষেধ ছিল ওখানকার টিকিট কালেক্টর 10 টাকা ধার্য করেছিল 1IMG_20180717_115209.jpg জনের ভেতরে যাওয়ার জন্য আমি আর আমার একজন relative দুজনেরই সেট করলাম যে আমরা দুজনই একমাত্র যাও বাকিদেরকে অন্য দিকে ঘুরতে পাঠিয়ে দিয়ে আমরা ঢুকে গেলাম এক্সিবিশনে ভেতর ঢুকে দেখলাম চারটে মত কামরা যেখানে শুধুমাত্র গৌরাঙ্গের জীবনের সব রকম ঘটনা কিছু পুতুল দ্বারা দ্বারা পরিবেশন করা আছে সেগুলো দেখে আমরা প্রায়ই মুগ্ধ হয়ে গেলাম যেমন gourango বনে বনে যাত্রা তারপর কি হবে ওদের সাথে মেলাও কিভাবে উনি ভগবান হন কিভাবে তার আশেপাশের লোকেরা তাদেরকে ভগবানপুর মিনার মুহূর্ত তার কিছু বড় কাজ শুরু চিত্রগুলো ওই দিনগুলোর মধ্যে পুরোপুরি ফুটে উঠছিল দেখে মনে হলো যদি আমরা এখানে নাটক তাহলে কত বড় ভুলটা করতাম তারপর আমরা ওখান থেকে বেরিয়ে চলল গাড়ির দিকে এগিয়ে গেলাম যেহেতু আমাদের অনেকটা দেরি হয়ে গেছিলো, আমাদের অনেকটা দেরি হয়ে গেছিল তারপর আমরা বাড়ি থেকে কিছু খেয়ে আসিনি শেষের আমাদের খুব খিদে পেয়েছিল সামনে একটা কোন দোকান দেখতে পেয়ে আমরা সেখানে দাঁড়ালাম বাচ্চাদের কিছু বিস্কুট ও বড়দের জন্য কিছু খাইয়ে দেয়ার পর যাকেআমরা মন থেকে বেরিয়ে পরলাম তারাপীঠের জন্য এরপর শুরু হলো আমাদের তারাপীঠের জন্য যাত্রা আমরা সবাই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম যেহেতু আমাদের ওটা প্রথম তারাপীঠ যাত্রা ছিল, আমাদের তারাপীঠ রাস্তার সামনে যাচ্ছিল তখন এত কিছু শুনেছিলাম জায়গাটা নিয়ে যে এই মান্যতা আছে এইজন্য জানানো হয় এত সুন্দর সুন্দর জায়গা মানুষের কত আশা কত আকাঙ্ক্ষা নিয়ে অনুষ্ঠিত শান্ত জায়গা কত আশা করা যায় অনেকজন বলে দিতে আসা গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে কত ফুট কত সন্ন্যাসী দুঃখ-কষ্ট আনন্দ সবকিছুই আছে তারাপীঠ আমরা ঘুরতে বেরিয়েছিলাম শহরে মনে কিছু না কিছু দুঃখ আছে সবাই আশাকরে যেখানে গেলে হয়তো আমরা কিছুটা সময় তো আমরাও অনির্দিষ্টকাল ধরে দিয়েই যাচ্ছিলাম যেটা আশা ছিল যে যাবে যদি উনি আমাদের মনের কথাটা শুনে আমাদেরকে আশীর্বাদ করেন আমাদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য অসুবিধা হচ্ছিল জায়গাটা অনেক বড় এবং অনেক ভুল খুঁজতে লাগলাম হোটেলের জন্য ডাকাডাকি করে তারা এসে আমাদেরকে পার্কে নিয়ে যায় না আমরা তাদের সাথে কথা বললে তার এড্রেস ফোন নম্বর দিলাম যাতে দ্বিতীয় বার আসার সময় কোন অসুবিধা না হয়.

IMG_20180717_123349.jpgগাড়ি পার্ক করার পর আমরা আস্তে আস্তে এগিয়ে পড়লাম তারাপীঠ মন্দিরের দিকে তারপর গাড়ি পার্কিং ওয়ালা আমার দিকে নিয়ে গেল একটা দোকানে যেখানে ঠাকুর পুজোর জন্য সব রকম উপকরণ পাওয়া যায় এখন থেকে আপনারা সবাই নিজের জন্য উপহার সামগ্রী কিনলাম এবং গেলাম তাড়াতাড়ি অনলাইনে দেখলাম একটা জালের মত জানালা অনেকগুলো সুতো সুতো বাঁধা ছিল আমরাও ওগুলোতে একটা করে লাল কার ভেঙে দিলাম তারপর ঢুকলাম মায়ের মন্দিরের সামনে দুটো খন্ডিত পায় সবাই ফুল দিচ্ছেন সিঙ্গুর মাথায় নিচ্ছে আমরা সবাই মিলে খেতে শুরু করল তারপর ধরে ধরে যেন মায়ের দর্শন করাচ্ছেন আমাদের মাথাটা মায়ের পায়ে ঠেলে দিচ্ছে এতগুলোর মধ্যে যেটুকু পাওয়া গেল দর্শন করলাম আমরা বেরিয়ে এলাম তারপর ওখানে কিছু খাওয়া দাওয়া করে আমরা নাগাদ সাড়ে পাঁচটার দিকে ওখান থেকে বেরিয়ে পড়লাম তারপর হৈ-হুল্লোড় করতে করতে এসে সারা রাস্তায় কথা বলতে বলতে গেলাম যে কি করলাম দেখলাম সবাই খুব উৎসাহ দিচ্ছে সারাদিনের একটা এত বড় জার্নির পর আমরা কিন্তু কেউ হয়রান হয়ে পড়ি নি হাসতে হাসতে কথা বলতে বলতে আমরা ঠিক আটটা নাগাদ বাড়ি পৌছালাম খাওয়া-দাওয়া করে সবারই পেট ভরে ছিল আর বাড়ি আসার পর সবাই খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল হয়রান হয়ে পড়েছিল সে ক্ষেত্রে কারো পেটের খিদে ছিল না সামান্য কিছু জল মিষ্টি ছোট্ট খাবার খেয়ে সবাই শুয়ে পরলো যাওয়ার পর শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকলাম সারাদিনের কথা ঠিকই করলাম কি হল কত কি করলাম ভাবতেই পারিনি যে কোন একটা জায়গা বাইরে ঘুরতে এসে তারাপীঠ দর্শন হবে তবে মা ডাকলে তবে নিকিতা ধর্ষণ হয় হয়তো এটাই আমার ডাকছিল খুব ইনজয় করলাম তোমাকে বলব তাহলে তোমরা একবার ঘুরে এসো বীর চন্দ্রপুর ও তারাপীঠ

IMG_20180717_153359.jpg

আমার ঘুরতে যাওয়া এক দৈবিক স্থান..... | Ecency