হঠাৎ কি হল আমার বুঝলাম না। সেই কাল থেকে কোন কিছু লেখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু কিছুতেই মাথায় কিছু আসছে না।
কি নিয়ে লিখবো, কাকে নিয়ে লিখবো? এসব ভাবতে ভাবতেই দু এক লাইন লিখে আবার মুছে ফেললাম কতবার। তার হিসেব নেই।
এমন তো কখনো হয় নিই। যা মন চাইতো লিখে ফেলতাম। ভালো খারাপ বাদ বিচার করতাম না। বরাবরই ভালো কোন লেখক না আমি। সম সাময়িক ইস্যু নিয়ে কাঁচা হাতে টুক টুক ফেবুতে লিখতাম।
কখনো কখনো অনেক কিছু লিখে ডিলেট করে ফেলতাম। আবার কখনো লিখে অপ্রকাশিত থাকতো। কখনো প্রাইভেসি অনলি মি করে রেখেছি। কিন্তু এরকম কখনো হয় নিই যে লেখার ভাষায় হাড়িয়ে ফেলেছি। তেমন কোন কিছুও হয় নিই যে এমন হবে। জানি না অন্যদের এমন হয় কিনা।
তবে ‘আর পারছি না’র পরের লাইনটি হলো ‘আমাকে পারতেই হবে!’ তবে আজ সত্যিই পারছি না।
তাই আমার পছন্দের একজন লেখক হাবিবাহ্ নাসরিন আপুর একটি কবিতা শেয়ার করতে চাই। উনি আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড হওয়ার সুবাদে ওনার লেখা ও কবিতা গুলো পড়ার সৌভাগ্য হয় আমার।
দুঃখ
হাবীবাহ্ নাসরীন
===============================
সব ব্যথা কেন তোমার একারই হবে,
আমারও তো কিছু দুঃখ থাকতে পারে
আমি ছুঁয়ে দিলে বেদনার ফুল ফোটে
দৃষ্টি ফেরালে গ্রহণ লাগতে পারে!
আমার একান্ত গভীর দুঃখবোধে
দীর্ঘশ্বাসের গোপন কানাকানি
আমি তো রয়েছি আলোকবর্ষ দূরে
দিনশেষে তবু অহেতুক অভিমানী।
আমি তো শেখাই বিরহের স্বরলিপি
দুখীদের কাছে কে আর কতটা শেখে
কেউ এসে তবু বোঝে যদি সেই ভাষা
দুইচোখে তাই ভালোবাসা আছি মেখে।
আমার বর্ণ রঙিন হবে না জানি
আমার স্বপ্ন রাত্রির ঘরে বন্দী
আমারও তো তবু ইচ্ছে হতেই পারে
বিচ্ছেদ করি মন খারাপের সন্ধি।
হঠাৎ কখনো তোমার আঙুল ছুঁতে
আমারও তো তবু ইচ্ছে জাগতে পারে
সব ব্যথা কেন তোমার একারই হবে
আমারও তো কিছু দুঃখ থাকতে পারে!