আমাদের কেও দাবায়া রাখতে পারবে না।

Words
349
Reading
2 min
Listen
Play
6y

একজন ভদ্র লোক রাস্তায় বাই সাইকেলে করে যাচ্ছে। মনের সুখে গুণ গুণ করছে আর প্যাটেল মারছে। করোনার ভয়ে তখন সবাই নাস্তানাবুদ। হঠাৎ সে মুখ দিয়ে থুতু ছুড়ে মারলো। তারপর বেচারা নির্জন রাস্তা সাইকেল থামিয়ে ডানে বামে তাকিয়ে মাস্কটি খুলে ভাঁজ করে পকেটে রেখে দিল।

দুই জন লোক করোনায় মারা গেলো। সবাই ভয়ে অস্থির। চারিদিকে একেই কথা কি হবে কি হতে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষনা। অঘোষিত লক ডাউন। প্রশাসন করা করি অবস্থা। বাজারে গেলেই পুলিশ পিটাচ্ছে। বল্টুর শখ হল পুলিশের পাঠানো দেখবে। বল্টু গেলো বাজারে। তারপর কি আর। যাই হবার তাই হল। বল্টুর দুর্ভিক্ষ কবলিত পাছায় বিষুভ রেখা একে দিয়েছে পুলিশ।

এলাকায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। প্রশাসন এসে লক ডাউন করে দিয়েছে। আশে পাশের কয়েকটি বাড়ি আর রাস্তা বাঁশ দিয়ে ব্লক। কিন্তু কি আর করার বাঙ্গালীর যা স্বভাব । যে বাঙ্গালীরা রাস্তায় ওয়াসার পাইপ লাইন ঠিক করলেও শত শত লোক ভীর করে দেখে তাদের চোখে আবার করোনা রোগী বাদ যাবে হতেই পারে না। লক ডাউন করা বাড়ির জানালায় উপচে পরা ভীর।

Screenshot_20200617-194025_Facebook.jpg

করোনায় সবাই দিশেহারা। মহল্লায় কয়েকজন যৌবন ভরা তেজোদীপ্ত শরীর। হাতে গ্লাভস মুকে মাস্ক পরে করোনার নিয়ে গবেষনা করছে। একজন মাস্কটাকে থুতনিতে টেনে সাইডে থুতু ফেলো সুন্দর করে বুঝাচ্ছে যেখানে সেখাপে থুতু কফ ফেলা যাবে না। এতে অন্যরা আক্রান্ত হবে বেশি। তাই আআদের সকলকে সচেতন হতে হবে।

করোনার ভয়ে অস্থির সবাই। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতেই হবে। পাড়ায় মহল্লায় আড্ডা বাজি করা যাবে না। মাস্ক পরতে হবে। শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখে চলতে হবে। কিন্তু এলাকার পন্ডিত যারা আছে তাদের একটা দায়িত্ব আছে না সবাইকে সচেতন করা। যারা রাজনীতি বিশেষজ্ঞ হতে শুরু করে একাধারে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার। যারা চায়ের কাপে আড্ডা দিয়ে ভারত পাকিস্থান চিনের যুদ্ধের গবেষনা করে তাদের তো দায়িত্ব রয়েছে এলাকা বাসীকে সচেতন করা। তাই সবাইকে নিয়ে হু এর স্বাস্থ্য বিধি গুলো মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছে। সেই সমাজ সেবা করতে গিয়ে কয়েকদিন পর এক পন্ডিতদের কোভিড পজিটিভ।

বাবা চাকরি করে। সংসার তো চালাতে হবে। জীবনের পাশাপাশি জীবিকা দরকার। এদিকে বাচ্চাকাচ্চার স্কুল বন্ধ। স্কুলে গেলে বাচ্চাদের মধ্যে করোনা ছড়াবে। যাই হোক বাবা বাজার করে আসে আম্মু আর আব্বুকে কোলে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে একটা আলতো চুমু খেয়ে বলছে যাই ভালো ভাবে ফ্রেশ হয়ে আসি। যেকোন ভাবে করোনা ছড়াতে পারে।

আমাদের কেও দাবায়া রাখতে পারবে না। | Ecency