বাংলাদেশের জনগণ ও আমার ভাবনা

Words
415
Reading
2 min
Listen
Play
6y

আমি ভালো লিখতে পারি না। তবুও লেখার চেষ্টা করছি মাত্র। অনেকেই আমার লেখা দেখে ভ্রু উপরে তুলবেন। কেউ বা ঠোঁট কিঞ্চিত বাঁকা করে আবার কেউ বা অট্ট হাসি হাসবেন আমার নাদান বাচ্চার মত লেখা দেখে।

images.jpeg
Image Source

তারপরেও ভাবছি হাইভে প্রতিদিন পোস্ট করতে হবে। এতে লেখার চর্চাও হবে।

ভাবছি লেখা সুন্দর করার জন্য প্রেমিকাকে প্রেম পত্র লিখবো। প্রেম পত্র লিখতে লিখতে নাকি এক একজনের সাহিত্যিক হয়ে যায়, কবি হয়ে যায়। তাতেও যদি একটু লেখা শিখতে পারি।

images (1).jpeg
image source

আমি স্কুল কলেজ থেকেই ফাঁকিবাজ। স্কুল কলেজের বই পড়তে কখনোই ভালো লাগতো না। তবে ইদানিং আবার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ভালো ভালো লেখা খুঁজে বেরাই। কেন জানি আসক্তি বেড়ে গেছে।

রাজনৈতিক বিষয় গুলো খুব টানে আমাকে। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি যে আর জনগণের জন্য নেই সেটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। নোংরা নীতিতে পরিবর্তন হয়েছে। দেশের মানুষের উন্নয়ন সমাজ ও পরিবেশের নান্দনিক শ্রিবৃদ্ধীর ভাবনা না ভেবে নিজ স্বার্থগুলোকে বড় করে দেখতে গিয়ে পকেট ভারি করে বাড়ি গাড়ি টাকার পাহাড় গড়ার নিমিত্তে দিশেহারা হয়ে নিজেরাই নিজেদের প্রতি পক্ষে রুপান্তরিত হয়েছি আমরা। অল্প বিদ্যা ভয়ংকর প্রবাদের সত্যতায় অসাধু ভাষার প্রয়োগ গুনে শিষ্ঠাচারকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে রাজনীতির গুষ্টি কিলিয়ে ছয় চাষ করে ফেলছি। ভবিষ্যতে নতুন প্রজন্ম রাজনীতির কি শিখবে, কার কাছে শিখবে?

images (2).jpeg
image source

তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই চোর বাটপারদের অভয়ারণ্য হওয়ার পিছনে ভালো মানুষের রাজনীতি তে আগ্রহ না থাকাকে আমি দায়ী করি।

আচ্ছা আমাদের আবার একটা সমস্যা আছে। আমরা শুধু রাজনীতি বিদদেরকে ভালো চাই। অথচ বাংলাদেশের ৯০ ভাগ মানুষেই অসৎ। সুদ, ঘুষ, অনিয়ম স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

আমরা বিয়ের পিড়িতে বসার আগেই যৌতুক চুক্তি বদ্ধ করে নিই। কেউ কেউ তো উপহারের নামে চালাচ্ছে এই চুক্তিবদ্ধ যৌতুক।

images (3).jpeg
image source

চাকরি নেওয়ার জন্য আগাম দিয়ে রাখি লক্ষ লক্ষ টাকা। সেটা স্কুল কলেছের শিক্ষক হতে শুরু করে পিয়ন দাড়োয়ান সবাই। মাঝে মধ্যেই খুব ভাবায় এই শিক্ষক গুলো ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়ে ছাত্রদের নীতি নৈতিকতা কি করে শিখাবে। যৌতুকের টাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে স্কুলে গিয়ে কিভাবে শেখাবে যৌতুক দেওয়া নেওয়া দুটোই অপরাধ।

পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী কেউ দূর্নীতি অনিয়মের বাইরে যেতে পারছে না।

যারাও বা আছে বলা যায় সুযোগের অভাবে সৎ। এরেই মধ্যে প্রকৃত সৎ ব্যাক্তিও রয়েছে। হাজারো প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে স্রোতের বিপরীতে টিকে আছে। স্রোতের বিপরীতে টিকে থাকা সত্যিই কঠিন। আপনি সততা নিয়ে থাকবেন পারবেন না। এদেশের বালু ধুলি কনা আশে পাশে দেওয়াল সব কিছুই আপনাকে টেনে ধরবে।

নষ্ট হয়ে গেছে এই সমাজ। নষ্ট সমাজে এখন নষ্টদের জয় জয়কার। পরিবর্তন খুব জরুরী। কিন্তু
কে করবে পরিবর্তন?
কিভাবে হবে এই পরিবর্তন?
কার কাছেই বা এই প্রশ্ন গুলো করবো?
কার কাছেই বা এর উত্তর গুলো পাবো?


          @Bdcommunity 

20200612_145320_0000.png

বাংলাদেশের জনগণ ও আমার ভাবনা | Ecency