কিছুদিন আগে পরিবেশ দূষণ নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলাম। যেহেতু ব্লগিং ও লেখালেখির নতুন এই যাত্রায় পা রেখেছি, তাই মনে হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি আমার ব্লগের পাঠকদের সাথেও শেয়ার করা উচিত। নিজের নৈতিক দায়িত্ব ও মনের তাগিদ থেকেই আজ এই কথাগুলো আপনাদের বলছি।
আসলে একটু ভেবে দেখলে অবাক লাগবে, আমরা প্রতিদিন নিজের অজান্তেই আমাদের চারপাশটাকে কতটা নোংরা করে ফেলছি। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে প্লাস্টিকের কাপটা বা একটু চিপস খেয়ে প্যাকেটটা হাত থেকেই রাস্তার পাশে বা নদীর ধারে অবলীলায় ফেলে দিচ্ছি। আমরা একবারও ভাবি না যে, এই ছোট্ট প্লাস্টিকের টুকরোটি হয়তো আমাদের বাড়ির পাশের ছোট্ট ড্রেনটা বা প্রিয় নদীটার বুক আটকে দিচ্ছে।
একটুখানি আলস্য বা অবহেলার কারণে আমরা কতটা ক্ষতি করে ফেলছি আমাদের চিরচেনা সুন্দর পরিবেশের! আমরা চাইলে তো কত কিছুই পাল্টে ফেলতে পারতাম! কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমরা নিজেরা সামান্য সচেতন হতে পারি না। আমাদের এই লেখার উদ্দেশ্য কাউকে ছোট করা বা দোষারোপ করা নয়, বরং নিজেদের ঘরের আঙিনা থেকে শুরু করে চারপাশের পরিবেশ নিয়ে একটু গভীরভাবে ভাবা।
এই করুণ পরিণতি থেকে আমাদের চারপাশকে বাঁচাতে খুব ছোট কিছু পদক্ষেপই যথেষ্ট: যত্রতত্র প্লাস্টিক বা পলিথিন না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা, একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, এবং নদী রক্ষায় নিজ নিজ জায়গা থেকে একটু সচেতন হওয়া। সামান্য একটু সচেতনতাই পারে আমাদের এই চেনা প্রকৃতিকে আবার সুন্দর করে তুলতে। প্রকৃতি বাঁচলে তবেই তো আমরা বাঁচব।