বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা মানুষের শুক্রাণুর মত, মিলিয়নে একটা মানুষ হয়।।
সবনম ফারিয়া ৮ টি আম খেয়েছে এটা নিয়ে কিছুদিন আগে প্রথম আলো নিউজ করেছিল ।
শবনম ফারিয়া কয়টা আম খাইলো, আম ছিলকা সহ খাইলো নাকি ছিলকা ছাড়া। আম বিচি সহ খাইলো নাকি বিচি ছাড়া খাইলো, আম খেয়ে আম হাগলো নাকি বিচি। এইসব নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই। ইনফ্যাক্ট বাংলাদেশের শোবিজের কাউরে নিয়াই আমার কোন ধরনের আগ্রহ নেই।
এই সব বলার কারণ কিন্তু আমার সবনম ফারিয়া নয়। বেশ দুদিন ধরে আরেকটি নিউজ দেখছিলাম। প্রথম আলো এক তৃতীয়াংশ কর্মী ছাঁটাই করবে। এতেও আমার কোন আগ্রহ নেই। তারা তাদের কর্মী রাখবে নাকি বাড়াবে নাকি ছাঁটাই করবে করুক। তাতেও আমার আপত্তি নাই।
আপত্তি হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম সারির প্রথম প্রিন্ট মিডিয়া হচ্ছে প্রথম আলো। তারাও যখন কর্মী ছাঁটাই করবে তাহলে বাকিদের কি হবে। তাদের ৭৬ লক্ষ পাঠক থাকার পরেও তারা কেন কর্মী ছাঁটাই করবে?
কেন তাদের সংবাদপত্র কি মানুষ নিচ্ছে না? তাদের উপর কি মানুষ আস্তা হাড়িয়ে ফেলেছে?
সবনম ফারিয়ার ৮ টি আম খাওয়ার নিউজ কি মানুষের খাচ্ছে না। নাকি পরীমনির অর্ধ উলঙ্গের প্রছদ কি পাবলিক দেখছে না?
আসলে বাংলাদেশের সংবাদপত্র গুলো কোন পর্যায়ে নেমে গেছে সেটা আমরা সবাই জানি। বর্তমানে টাকার কাছে তারা বিক্রি হয়ে গেছে। যেখানে বিশ্ব শান্তি ও সহমর্মিতা অব্যাহত রাখার স্বার্থে, মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের কথা বলবে। যেখানে দূর্নীতি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে কলম ধরবে। যেখানে সাংবাদিকরা থাকবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কন্ঠসর। যেখানে সাংবাদিকরা সমাজ পরিবর্তনের আলো জ্বালাবে। সেখানে তারা এখন হয়ে উঠেছে দালাল, অর্থলোভী। দলীয় দালালিতে মত্ত হয়ে উঠেছে। তৈলাক্ত করে ফেলেছে নিজেদেরকে। টাকার বিনিময়ে সত্য চেপে দেয়, মিথ্যা ছেপে দেয়। যার কারনেই এখন আর মানুষের সংবাদপত্র, টিভির খবর, টক শো গুলোর প্রতি আগ্রহ নেই। বেশ কিছু চ্যানেল প্রায় বন্ধের কাছাকাছি। হয়তো এ বছরেই অনেক সাংবাদিক, মিডিয়া কর্মী চাকরী হাড়াবে। এটা কিন্তু করোনার কারনে নয়। গত বছর থেকেই এই গুঞ্জন শুনা যাচ্ছিল।
তাই তো আমাদের দেশের সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে নোমানী ভাই বলেছিল "সাংবাদিকেরা হচ্ছে মানুষের শুক্রাণুর মত, মিলিয়নে একটা মানুষ হয়।"