পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।

Words
371
Reading
2 min
Listen
Play
5y

pexels-egil-sjøholt-1906658.jpg
Source

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি

আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করে ভাগ্য সব একমাত্র আল্লাহই লিখে রাখে। আর তার কথা মতোই সব হয়ে থাকে। আসলে এটা ভাবাটা হয়তো ঠিক না। কারণ আল্লাহই বলে দিয়েছি পরিশ্রম করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করো। কিন্তু অনেকেই মনে করে ভাগ্য আগে থেকেই লেখা থাকে। এটা যদি ভাবা আর নিজের ক্ষতি নিজে ডেকে আনা একদম একই জিনিস। এই ভাবনাটা বেশির ভাগ মানুষের মধ্যেই থাকে।

উদাহরণ সুরুপ যদি দকেহা যায় তাহলে যদি আপনি যদি নিজের জীবনকে না গুছান যদি বলেন ভাগ্যে যা আছে সেটাই হবে। তাহলে কি কোনো দিন আপনার জীবনে উন্নতি হবে ? এইসব ভেবে আসলে লাভ নেই। নিজের ভাগ্য নিজেকেই তৈরী করতে হয়। ভাগ্যে বিস্বাসী মানুষরা সব সময় অলস ও শ্রমবিমুখ হয়। সৌভাগ্য নিয়ে কেউ প্রথিবীতে আসে না। সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করেই ভাগ্যের উন্নতি করতে হয়।

আসলে ভাগ্যকে পরিবর্তন করার জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে। লক্ষ্য স্থির ছাড়া কেউ কোনোদিন জীবনে বড় হতে পারেনা। আমি আমার জীবনে এমন অনেক মানুষ দেখেছি যারা একমাত্র লক্ষ্য স্থির করতে না পারায় তারা তাদের জীবনে কিছুই করতে পারেনি । আর লক্ষ্য স্থির বলতে অনেকেই আছে যারা তাদের জীবনের লক্ষ্য নিয়ে অনেক অবসেলা করে। সে চায় সেটা হতে কিন্তু সে তার জন্য কোনো পরিশ্রম করতে মোটেও প্রস্তুত না।

আমরা যদি একটু বিখ্যাত জ্ঞানী গুণী দেড় জীবন কাহিনী পড়ি তাহলে তাদের জীবনে কোনো অলসতা বলতে কিছু ছিলোনা। তাদের জীবনে একমাত্র লক্ষনই ছিল জীবনে বড় হওয়া। এভাবে করেই তারা আজ এত উপরে উঠতে পেরেছে। আমাদের উচিত তাদের জীবন কাহিনী পরে তাদেরকে অনুসরণ করা।

আমি আমার আব্বুর কাছ থেকে একটা কাহিনী শুনেছিলাম। সেটা হলো আব্বু যখন ছোট ছিল তখন তাদের সাথে একটা বন্ধু ছিল। তাদের পারিবারিক অবস্থা এতাটাও সচ্ছল ছিলোনা। তার বাবা বাজারে পান বিক্রি করতো। কিন্তু তার লক্ষ্য এতটাই অটুট ছিল যে আজ সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর।

এই কথাটা আমার প্রথ প্রথম বিশ্বাস হয়নি। কারণ একজন গ্রামের ছেলে হয়ে সে কিভাবে একজন প্রফেসর হয়। আবার সেই নাকি বিদেশে গিয়ে ডিগ্ৰী অর্জন করে এসেছে। এখন যদি তার কাছে গিয়ে তাকে তার জীবনে উন্নতির পথ কিভাবে হলো সেটা জিজ্ঞেস করি তাহলে সে লক্ষ স্থির রাখার কথা বলবে।

তাই আমার মোতে জীবনে ভাগ্য তৈরী করতে হবে নিজেরকেই কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ ভাগ্য সব নিজের হাতে। যত পরিশ্রম তত উন্নতি। তাই ভাগ্য সব আল্লাহর হাতে না ছেড়ে নিজেই তৈরী করা আপ্রাণ চেষ্টা করা উচিত।

mXkfdToSwHy1F6xC7iNSf4gD4njuiH2TJnH2d9a7sjEgsxpt7CEU4CDLL7mP9zQRVVSzCik54u9BzkowKWMTJGsSmkpZb2759qFbBrSDc.png

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। | Ecency