জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সমস্যা এসে উপস্থিত হয়।আর সমস্যার সম্মুখীন হওয়া খুবি স্বাভাবিক বেপার।সমস্যা ছাড়া কারো জীবন নেই।তবে এই সমস্যা একেক জনের জীবনে একেক রকম প্রভাব ফেলে।কেউ কেউ নিজের বুদ্ধিমত্তা,শ্রম দিয়ে সমস্যার সমাধান করে ফেলে। আবার কেউ কেউ সমস্যার বেড়াজালে নিজেকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে হতাশ হয়ে জীবন যুদ্ধে হেরে যায়।সমস্যা জীবনে আসবেই,সেই সমস্যার সমাধান করার জন্য চেষ্টা করতে হবে,সমস্যা থেকে পালিয়ে গেলেতো জীবনে সফল হওয়া যাবে না।
কোনো একটা সমস্যা যখন জীবনে আসে তখন বেশির ভাগ মানুষই সেই সমস্যা নিয়ে বিস্তর ভাবা শুরু করে।অবশ্য যেখানে সমস্যা নিয়ে না ভেবে সমস্যার সমাধান নিয়ে ভাবা উচিত।সমস্যা নিয়ে ভাবলে সমস্যা আরো বেড়ে যাবে।এর সমাধান কোন পথে সহজ হবে,কিভাবে করতে হবে সেটা নিয়ে ভাবা উচিত।সমস্যা নিয়ে ভাবলে মনের মধ্যে নেগেটিভিটি ঢুকে পড়বে।
সমস্যাটি কেনো হলো?সমস্যাটির মূলে কি রয়েছে সেটা বের করা দরকার।মনে করেন,আপনি পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে পারছেন না।কেনো পারছেন না।এটা প্রথমে ভাবতে হবে।হয়তো আপনি ভালোভাবে পড়াশোনা করছেন না।এটা হতে পারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণ।ভেবে দেখলেন না আমিতো পড়াশোনা করি।তাহলে হয়তো আপনি বুঝে পড়ছেন না,যা পড়া উচিত তা না পড়ে অপ্রয়োজনীয় পড়া পড়ছেন।যদি কারণ এগুলো হয় তারপর এইসব বিষয় আপনাকে শুধরে নিতে হবে।
সমস্যা শুরুর প্রথমেই সমস্যাকে বড় করে দেখা উচিত নয়।এই সমস্যার সমাধান কখনো হবে না!এটা একটা বিরাট সমস্যা!এমন ভাবা উচিত নয়।সব সমস্যারি সমাধান আছে,এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।মনোবল হারিয়ে ফেলা সবক্ষেত্রেই খুবি মারাত্মক প্রভাব ফেলে।মনোবল হারানো উচিত নয়।
আপনি যখন সমস্যাই পড়বেন তখন আপনার আশপাশের অনেক মানুষ ঐ সমস্যার সমাধান নিয়ে হাজির হবে।এর মধ্যে কিছু সমাধান হয়তো আপনার উপকারে আসবে,আবার কিছু সমাধান আপনাকে আরো সমস্যাই ফেলে দিবে।তাই অন্যের বুদ্ধি-পরামর্শ নেওয়ার আগে নিজের মস্তিষ্ককে শতভাগ ব্যবহার করুন।
তবে,সবক্ষেত্রেই প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। সমস্যায় যাতে পড়তে না হয় সেভাবে পূর্বেই ভেবে চলা উচিত।জীবন খুবি ছোটো,এই ছোটো জীবনে কোনো ঝামেলায় জড়ানো উচিত নয়।যেভাবে চললে জীবনে কোনো ঝামেলা আসবে না সেভাবে চলা উচিত।যেখানে সমস্যা সেই কাজ যদি না করলে জীবন থেমে না থাকে তাহলে সেই কাজ করার দরকার কি?
ধন্যবাদ।