এইটা খাবো না,ঐটা খাবো না।কিচ্ছু খেতে মন চাই না,মুখে মোটেও রুচি নেই, কিছুই খেতে ইচ্ছে করে না। কী খেলে রুচি বাড়ানো যাবে? এমন প্রশ্ন অনেকে করে থাকেন। আজকের লিখাটিতে রুচি বাড়ানোর বিভিন্ন উপায় বলবো,এবং সর্বশেষ এমন একটি ঔষধের কথা বলবো যা খেলে শতভাগ নিশ্চিত মুখে রুচি আসবেই এবং সামনে যা পাবেন তাই খেতে ইচ্ছে করবে।
প্রথমে জানবো কেনো রুচি কমে যায়।বিভিন্ন কারণে অরুচি হয় আমাদের।আপনার যদি গ্যাসের সমস্যা থাকে,পেটের সমস্যা থাকে তাহলে খাবারে অরুচি হয়।মানসিক চাপে থাকলেও খাবারের প্রতি অনীহা চলে আসে।
খাবারের রুচির ক্ষেত্রে যেহেতু শরীরের সাথে মনের একটা সম্পর্ক আছে।তাই স্বাভাবিকভাবে এর কোনো চিকিৎসা নেই বা কোনো ঔষধ নেই।তবে খাবারের প্রতি মনের আকর্ষণ বিভিন্নভাবে বাড়ানো যায়।যেমন খাবার যদি সুস্বাদু হয়,তাহলে বেমজা খাবারের চেয়ে সেই খাবার কিছুটা হলেও বেশি খাওয়া যায়।দেখতে খাবার যদি আকর্ষণীয় হয় তাহলেও খাবার খেতে মন চায়।খাবারেে সাথে সালাদ খেলে খাবার বেশি খাওয়া যায়।আর গ্যাসের সমস্যা যাতে না হয় তার জন্য ভাজাপোড়া খাবার কম খাওয়া ভালো।গ্যাসের সমস্যা রুচির ক্ষেত্রে প্রধান বাধা।কারণ পেটে গ্যাস থাকলে সারাক্ষণ মনে হবে যে পেট ভরা।তাই আর খিদা লাগবে না।সকালে খালি পেটে পানি খেলে সারাদিন গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
স্বাভাবিকভাবেতো রুচি বাড়ানোর জন্য কোনো ঔষধ নেই।তবে কিছুদিন আগে একটি বনালা ঔষধ খেয়ে দেখেছি যে এই ঔষধ খেলে রুচি বাড়ে।তাই ভাবলাম এটা আপনাদের সাথে শেয়ার করা যায়।
এখন আসি শেষ কথায় ,রুচি বাড়ানোর যে ঔষধটির কথা বলবো সে ঔষধটি খেলে মুটামুটি এক-দুই দিনের মধ্যেই আপনি খাবার প্রতি আলাদা একটা আকর্ষণ অনুভব করবেন।খেতে মন চাই না,এই কথাটি আর বলবেন না।বরং বলবেন,যা ইচ্ছে দাও,সব খাবো।আমি নিজে ঔষধটি খেয়ে উপকার পেয়েছি, আমার আশপাশের আরো মানুষ জন খেয়ে উপকার পেয়েছে তাই আপনাদের সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।
তো ঔষধটির নাম ওরসিভ।এটি একটি সিরাপ জাতীয় ইউনানি ঔষধ।এটি ওরিয়েন্টাল ল্যাবরেটরীজ লিঃ এর একটি ঔষধ।এতে রয়েছে গাওজবান যা মস্তিষ্কের দুর্বলতা,হৃদযন্ত্রের দুর্বলতায় বিশেষভাবে কার্যকরী।
ঔষধটি দিনে দুই-তিনবার খেতে হয়,প্রথমবার খাওয়ার পরই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।রাক্ষুসে খিদা চলে আসবে।আপনার নিকটস্থ ঔষধের দোকানে খুঁজ করে দেখেন।পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।