প্রিয়,
পাঠকগণ,
কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশাকরি ভালোই আছেন।
আজকের দিনের আবহাওয়াটা বেশ ভালো লাগছে আমার। গত কয়েকদিন যা গরম পড়েছিল তার তুলনায় আজ খানিকটা ঠাণ্ডাই আছে।
আসলে কাল সন্ধ্যাবেলা হালকা বৃষ্টি হয়েছিল,সাথে ছিলো প্রচন্ড হাওয়া।পরে শুনলাম কোথাও কোথাও নাকি ভালোই বৃষ্টি হয়েছে।তাই পরিবেশটা বেশ ঠাণ্ডা হয়েছিল। আজও সারাদিন রৌদ্রের তাপ খুব বেশী ছিলো না, তাই সেই প্রচন্ড গরম অনুভব করিনি।
কাল বিকালে যখন গাছে জল দিয়েছি তখনও আকাশে মেঘের চিন্হ টুকু দেখিনি, কিন্তু যখন সন্ধ্যাপুজো দিতে গেছি, হটাৎ কারেন্ট চলে যায়, আর কিছু বুঝে ওঠার আগেই দমকা হাওয়া শুরু হয়। দরজা, জানালা সব খোলা থাকায় মুহুর্তের মধ্যেই সারা ঘরে ধুলো ভর্তি হয়ে গেল।
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি শুরু হলো,প্রথমে টুপটাপ পড়তে শুরু করলো, আর কিছুক্ষন বাদে বেশ জোরে শুরু হলো, তবে খুব বেশিক্ষণ ধরে হয়নি।
ছাদের গাছ গুলো যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে, যদিও প্রতিদিন জল দেওয়া হয় তবুও ঝড়ের হাওয়ায় ওদের দোলা দেখে মনে হচ্ছিল ওরা যেন কতোদিন দিন ধরে এই রকম আবহাওয়ার জন্যই অপেক্ষা করে ছিলো। বৃষ্টির পর গাছগুলোর চেহারা একেবারে পাল্টে গেছে।
হিসাব মত চৈত্র - বৈশাখের এই প্রথম বৃষ্টি, ভীষণ ভালো লাগছিল ওই সময় ছাদে দাড়াতে, কাল রবিবার ছিলো শুভও বাড়িতেই ছিলো।শুভ তো বৃষ্টিতে একটু ভিজেও নিলো,অনেকবার বারণ করলাম শুনলো না, আমি ভিজিনি কারণ আমার খুব তাড়াতাড়ি ঠান্ডা লেগে যায়, আর একবার লাগলে কমতেই চায়না। দুজনে একসাথে বসে গান শুনলাম, কিছুটা সময় কাটালাম। চা খেলাম।
তবে সবথেকে খারাপ যেটা হয়েছিল কারেন্ট সেই সন্ধ্যাবেলা গিয়ে রাত ১.২০ মিনিটে এসেছে, কারণ হাওয়ার জন্য কোথাও কারেন্টের তাড় ছিড়ে গিয়েছিল, ঠিক করতে সময় লেগেছে।
তাই অনেকদিন বাদে অন্ধকারেই (চার্জার জ্বালিয়ে)সব কাজ করতে হলো, খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম। ফোনের চার্জ ও প্রায় শেষের পথে ছিলো তাই খুব বেশি দেরী না করে সবাই তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লাম।
সন্ধ্যাবেলায় ছাদে বসে কিছু ছবি তুলেছিলাম সেগুলোই শেয়ার করলাম দেখে নিশ্চয় আপনাদেরও ভালো লাগবে। ভালো থাকবেন সবাই।