"শান্তিনিকেতন"

sampabiswas(62)
Published in
OCD
Words
407
Reading
2 min
Listen
Play
6y

অভি, সৌভিক,শুভ, আমি, সৌরভ, পূজা (ছবি তুলেছে অমিত)-
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7yF6ns3BGbkR9khj3R7e5tVQh7W8GXafECarhcA3SuoMSo1CW4kxcUeWRioBGn6yyRvkyjf1Vzw2aGPkCQ4p9pBxRYoYUE.jpeg

দুই ভাই (শুভ আর ওর মাসির ছেলে সৌরভ)-
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH81BXwNdsfhBvwNcn5wT19gNGUUEVBS1pjb9qAYa74RRiBhscEENHbMiz4pt5fSqhARNq6hkrx8Fh1Zb7wooiZeD4tcxwnv.jpeg

প্রিয়,
পাঠকগণ,

আশাকরি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার শান্তিনিকেতন বেড়াতে যাওয়ার গল্প। আমার বিয়ের পর শুভর আর ওর বন্ধুদের সাথে ওটাই আমার প্রথম বেড়াতে যাওয়া। ইতিমধ্যে যেহেতু অমিত এরও বিয়ে হয়ে গিয়েছিল তাই আমারও একজন সঙ্গী হয়েছিল।না হলে ছেলে গুলোর মাঝে আমি একাই মেয়ে ছিলাম।

অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমরা শান্তিনিকেতন জায়গাটা ঠিক করলাম, ওখানে মামাবাড়ি আছে তাই।মাসি বাড়ি শান্তিনিকেতন,আর মামা থাকে প্রান্তিক। প্রান্তিক থেকে শান্তিনিকেতন,বিশ্বভারতী কাছে হয় তাই মামার সাথে কথা বলে ওখানে থাকার ব্যবস্থা করা হলো। মামী তখন দিল্লী ছিলো তার মেয়ের কাছে, অগত্যা আমাদেরই রান্নাবান্না করে খেতে হবে।সেটাই ফাইনাল হলো।

ইচ্ছে ছিলো একবার বিবাহবার্ষিকীর দিন কঙ্কালীতলা মন্দিরে পূজো দেবো, ভাবিনি সেই বারই পূজো দিতে পারবো। শুভদের যেহেতু ২৩ আর ২৬ জানুয়ারি ছুটি থাকে আর সেবার মাঝে একটা রবিবারও ছিলো তাই আর ২ দিন বেশী ছুটি নিয়ে বেশ কয়েক দিনের ছুটি কাটিয়ে এসেছিলাম আমরা।শিয়ালদহ থেকে এক্সপ্রেস ট্রেন এ করে আমরা প্রান্তিক এ নেমে দেখলাম মামা দাড়িয়ে আছে আমাদের জন্য।

প্রান্তিক স্টেশন এ নামার পর-
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7z2YWZpuW22oWJWE6T2fq1SiVJ2hMzHXtCNsYaheczPnDwjBnra6uBW3janKYAt85TeX6AhkUP3ZEkP7A1cbk6J6VJjfAe.jpeg

হেঁটে হেঁটে চললাম মামাবাড়ি -
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7yNqbsraKvCzuPYcG4GH88ZdmWy2yXBKE21SPqb4n4wAV4pxNpmwFTt7na3BJjj2NgcqtKzDoF1anbEMH4KXtYmdDUCaXG.jpeg

মামার বাড়ি খুব বেশি দূরে নয় সুতরাং হেঁটে যেতে সবাই রাজী হলো। ওখানে গিয়ে ফ্রেশ হলাম, সেদিনের খাওয়ার ব্যবস্থা মামা একজনকে দিয়ে করিয়ে রেখেছিল। খেয়ে একটু রেস্ট নিলাম,এরপর সন্ধ্যাবেলা ওরা বাইরে গেলো আসার সময় রুটি নিয়ে এসেছিল সেটাই রাতে খেলাম। পরদিন মামা টোটো ঠিক করে দিলো,প্রথমে কঙ্কালীতলা পূজো দিয়ে শান্তিনিকেতন ঘুরবো। সেখান থেকে আবার বাড়ি নামিয়ে দেবে। সেই কথা মতো আমরা সকাল বেলা স্নান করে রেডি হয়ে রওনা দিলাম।
কঙ্কালীতলা গিয়ে দেখি খুব বেশি ভিড় নেই, লাইনে দাঁড়িয়ে পূজো দিলাম, ভীষণ ভালো লাগলো যেন স্বপ্নপূরণ।মন্দিরে বসেও একটা অদ্ভুত শান্তি পেলাম।

পূজো দেওয়ার পর-
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7z2nAQfzaGci3ZWbU2r79RM2n2M5YxhYbHwXXhWaKhts8GKfusdFXR4GrnirDV1wKdLJbRqxr8wr7iM76BN4B3XhjTCJBg.jpeg

সেখান থেকে বেরিয়ে একটা দোকানে টিফিন করে আমরা শান্তিনিকেতন রওনা দিলাম। ওখানে ঘুরে ঘুরে অনেক কিছু দেখলাম।রবীন্দ্রনাথের সমস্ত শিল্পকলা যেখানে সংরক্ষণ করে রাখা আছে সেই মিউজিয়াম, তার ব্যবহার করা গাড়ি,তার লেখা সমস্ত বই, নোবেলটা চুরি হয়ে যাওয়ার পর যে ঘরে নোবেলটা রাখা ছিলো ঘরটা এখন বন্ধ।যেখানে বসে তিনি ক্লাস করাতেন,সেই গাছের তলা,সমস্ত কিছু দেখে যেনো মনটা অন্যরকম হয়ে যায়।ওখানকার পরিবেশ একদম অন্যরকম।চারিদিকে ফুলের বাগান দেখে ভীষণ লেগেছিল। ভেতর ফোন নিয়ে ঢুকতে দেয়না। তাই ফটো তোলা সম্ভব হয়নি।সব জায়গা ঘুরে সন্ধ্যা বেলা বাড়ি ফিরলাম।

মিউজিয়ামের বাইরে আমি আর পূজা (অমিতের বউ)-
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7yVRaDnjMmTSC2Q7dHReDehRRYs72oK3BCu9HbEH1XKoiDMG6XeBL1LptshHPsx18WtVKGDyud3LDRAqtMtT4vdZGvPQPG.jpeg

JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7z8mfotRaaM4auJFfs2LrSh5ovv8uvPoE6ax21B5auNZXCG6aEb3vjubULUf6WSJiV9HZZVoDsfxHwq4YbTPDHKKwun3ev.jpeg
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7yFDquxE2VLGtbPjiktgNgrmPZuLxgKyGvDHGviNoQG5hqSNDt9sfgc7JYKAWFwnM46pf4MTLCQbmznmEYAkDfJdaSzhmx.jpeg

পরদিন মাসি বাড়ি গেলাম সেখানে একদিন থেকে আবার ফিরে এলাম মামা বাড়ি। ওখানে আমাদের ব্যাগ ছিলো।সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে পরদিন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। দেখতে দেখতে দিন কেটে গেলো। তবুও স্মৃতির পাতায় প্রতিটা মূহুর্ত লেখা হয়ে থাকলো আমাদের।

বাড়ি ফেরার দিন-
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7y7VBRbSJV1DcptHRDe3VLazcBjWQrnPideV6DbkxDT1niSS6bWV8ztHCbTEM4WymmWbtDEsW9F5BVoBDhyQJw3jLh6dav.jpeg
JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7ykdJGbpCVAkccfQc7BZ6SYLN28AmoK3UULoqkYmnq48QqbMdLpGE2gtV2MkTr4UG17G7wLyLdDDJHgyioJGDYSeHPwwKk.jpeg

"শান্তিনিকেতন" | Ecency