Fingertip Pulse Oximeter । আমরা প্রায় সকলেই ডক্টরের কাছে কিংবা ফার্মেসিতে পেশার মাপার যন্ত্র দেখে থাকে। এটি সেই মেশিন ডিজিটাল ভার্সন।
এই মেশিনটি কিভাবে একটি করনা রোগীর জন্য উপকার হতে পারে তা আপনাদের কাছে তুলে ধরব।
বর্তমান সময়ে মহামারীর জন্য, আমাদের হসপিটালে পর্যাপ্ত পরিমাণ সিট ফাঁকা নেই। এখন একটি রোগী চাইলেই হসপিটালে ভর্তি হতে পারে না। অনেক সময় রোগীর সিরিয়াস অবস্থা হলেও, ডাক্তারদের পক্ষে সম্ভব হয়না হসপিটালের একটি সিট বরাদ্দ করতে। আমরা খবরের অনেক সময় দেখেছি চিকিৎসার অভাবে রোগে মারা যান।
বর্তমান সময়ে যদি কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় এবং ডাক্তারের কাছে পরামর্শ চায়, ডক্টর তখন তাদেরকে বাসাতেই করেন টেনে থাকার উপদেশ দিয়ে থাকেন, এবং ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে বলেন। দিনে খাবার গুলোতে ফল থাকবে, পুষ্টিকর খাবার থাকবে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ করতে বৃদ্ধি করে।
কিন্তু প্রশ্ন হল করোনার কোন পর্যায় পর্যন্ত আমরা বাসায় থাকতে পারবো। বা আমরা বুঝতে পারবো এখনই আমাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া উচিত। সেই জিনিসটি পরিমাপ করার জন্য এই মেশিনটি কাজ করে থাকে।
এই মেশিনের মাধ্যমে আমরা যেমন আমাদের শরীরের পেশার বা রক্তচাপ নির্ণয় করতে পারব। ঠিক তেমনি আমাদের শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ নির্ণয় করতে পারব।
যদি কোন ব্যক্তির করোনা পজিটিভ হয়, তিনি বাসায়ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারেন। কিন্তু তার শরীরে যদি ৯৫% এর কম অক্সিজেন থাকে। তাহলে তাকে কোনোভাবেই বাসায় রাখা উচিত নয়। কারণ অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫শতাংশ কম হলে , বুঝতে হবে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। তাকে তখনই দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রয়োজন হলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ, মেশিনটি চালু করার জন্য ছোট ব্যাটারি প্রয়োজন হয়, উপরে একটি বাটন দেয়া আছে এটি ক্লিক করলে মেশিনটি একবার চালু হবে আর একবার ক্লিক করলে বন্ধ হবে।
মেশিনটি চালু করার পর বাম হাতের অনামিকা আঙুল অর্থাৎ রিং ফিঙ্গার লাগাতে হবে। মেশিন অটোমেটিক শরীরের রক্তচাপ এবং অক্সিজেনের পরিমাণ নির্ণয় করবে,
রক্তচাপ 60 থেকে 100 পর্যন্ত স্বাভাবিক ধরা হয়। এর নিচে হলে লো পেশার উপরে হলে হাই প্রেসার। এবং শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ 95 এর উপরে থাকতে হবে। তবেই একটি মানুষকে স্বাভাবিক সুস্থ বলা যাবে।
From,
@sajjadsohan