এবারের পর্বে আমি আরো কিছু কুরআনের আয়াত এবং কিছু হাদিস তুলে ধরবো নামাজের বেপারে। আশা করি সবটুকু ব্লগ আপনি মনোযোগ দিয়েই পড়বেন। আপনি যদি এখনো নিয়মিত নামাজ না পরে থাকেন, শুধু ভাবছেন আর কিছু দিন পর থেকে শুরু করবো তাহলে এই ব্লগ টা আপনার জন্যে, আমি আশা করি আপনি এই পর্ব থেকে আরো নতুন কিছু শিখতে পারবেন।...
নামাজের গুরুত্ব ইসলামে অনেক, আমি অবশ্য এই বেপারে গত পর্বে অনেক কিছু লিখেছিলাম আপনি চাইলে আমার আগে ব্লগ চেক করতে পারেন। এখানে ক্লিক করে
আল্লাহ তায়ালা ইসমাঈল আঃ এর প্রশংসা এইজন্যই করেছেন যে উনি নিজে নামাজ পড়তেন এবং অন্যদের সবসময় উৎসাহিত করতেন। ইরশাদ হচ্ছে,
কাদের ওপর সালাত ফরজ সেটা জেনে নিন : সজ্ঞান বালক বালিকা অর্থাৎ পাগল এর ওপর নামাজ ফরজ না। অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলমান এর ওপর নামাজ ফরজ। আল্লাহ তায়ালা বলেন...
আমাদের প্রিয় নবী বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমাদের ওপর নামাজ ফরজ করেছেন, তিনি আরো বলেন কেউ যদি সুন্দর করে ওযু করে নিয়ম অনুযায়ী নামাজ আদায় করলে তাকে আল্লাহর দায়িত্ব হলো ক্ষমা করে দেয়া আর যদি কেউ তা না করলো তাহলে আল্লাহর ইচ্ছা তাকে ক্ষমা করেও দিতে পারেন আবার নয় দিতে পারেন।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
আজকে এপর্যন্তই আশা করি আপনি সবটুকু বুঝতে পেরেছেন। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত নিজে সালাত আদায় করা এবং অন্যকে এই বেপারে উদ্ভুদ্দ করা।
আপনি যদি স্টিমিট নিয়ে কোনো রকম সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন তাহলে, আপনার জন্যে আমাদের সাহায্যের দরজা সবসময় খোলা, সাহায্য পেতে আপনাকে কষ্ট করে নিচের ব্যানার এ ক্লিক করে আমাদের কমিউনিটি তে জয়েন করতে হবে ।
আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক
আপনি Facebook, Twitter, আপনার বন্ধুদের Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪] source