কুফুরী বাক্য গুলা মানুষ তখন এ উচ্চারণ করে যখন মানুষ কোনো বিপদে পরে , এই যেমন একজন মানুষ একটা বিপদে পড়লো তখন সে বলেই ফেলে যে আল্লাহ আমাকে ছাড়া আর কাউকে চোখে পরে না খালি আমাকেই বিপদ দেয়, চিন্তা করে দেখেন এটা কত বড় কুফুরী। এই কথা টা দ্বারা আল্লাহ যে এক প্রকার ছোট করা হচ্ছে। আসলে আল্লাহর বিপক্ষে অভিযোগ দেয়া , আল্লাহ কে অভাবী মনে করা , আল্লাহ কে অপারগ বা পর মুখাপেক্ষী ভাবা , আল্লাহ কে কম ক্ষমতাবান মনে করা ইত্যাদি হলো কুফুরী। আজকে আমি কথা বলবো মানুষ বিপদে পড়লে কতিপয় কি কি কুফুরী বাক্য বলে থাকে, আশা করি পুরো টুকু আর্টিকেল আপনি পড়বেন।
বিপদে পড়া মানুষ কি কি কথা বলে কুফুরী করে থাকেন তার কিছু উদাহরণ নিচে দেয়া হলো
আপত্তি করে বলে অনেক কে বলতে শোনা যায় যে ঐ ব্যক্তি যাই করুক না কেন আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরোপুরি স্বাধীনতা আছে আমার বেলায় নাই .
এই ভাবে আপত্তি করে বলা আমি যদি কখনো ঐ ব্যক্তির সাথে কিছু করা তাহলে সাথে সাথে আল্লাহ আমাকে পাকড়াও করে ফেলেন, এখানে এই কথা দ্বারা আল্লাহ যে দোষ দেয়া হচ্ছে, এটা একটা অনেক বড় কুফুরী।
আফসোস করে বলা: অনেক মানুষ কে বিপদে পরে বলতে দেখা যায় যে উনি আল্লাহ কে দোষ দিয়ে বলছেন আল্লাহ হয়তো উনার ভাণ্ডারে আমার জন্যে কিছু বরাদ্দ রাখেন নাই তাই আমার এতো বিপদ, জীবনে আমার কোনো দোয়া কবুল হলো না , আমার সব স্বপ্ন ভেঙে গেলো, আল্লাহ কেন এমন করলে ইত্যাদি কথা। আল্লাহ যদি কাউকে কিছু না দেন সেটা তার জন্যে পরীক্ষা, আর আমরা সেই পরীক্ষায় প্রতিনিয়িতই ফেল করছি। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যেই করেন এটা সবার মুখেই শোনা যায় কিন্তু বিপদে পড়লে সেই কথা আর মনে না থেকে আল্লাহ কে একটা দোষ দিয়ে ফেলি..তাই আমাদের উচিত এসব কুফুরী কথা বলা থেকে বিরত থাকা।
ভাগ্য নিয়ে এই ভাবে বলা: আল্লাহ আমার ভাগ্যে ভালো কিছুই লিখেই নাই , আমার ভাগ্যে আজ পর্যন্ত ভালো কিছু দিলেই না, যাই করি না কেন আমার কিছুই হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি কথা বলা ও কুফুরী, আচ্ছা আল্লাহ কে এমন যে কিছু বান্দা কে আলাদা করে দেখেন ? আমরা কেন এমন কথা বলি ? সুতরাং সবার উচিত এমন কথা বলা থেকে বিরত থাকা.
শেষ কথা: আমি যদি আপনাকে একটা নতুন কুফুরী সম্পর্কে জানাতে পেরে থাকি তাহলে এটাই আমার সার্থকতা, আপনি চাইলেই এই আর্টিকেল টা শেয়ার করতে পারেন আপনার বন্ধুর সাথে, কারণ তাদের ও এগুলা জানার দরকার আছে,, আল্লাহ আপনাদের সবাইকে ভালো রাখুক এবং এইসব কুফুরী থেকে দূরে রাখুক, আমিন।
ধন্যবাদ পুরো টুকু পড়ার জন্যে