সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাতের শিফটে কাজ করেন তাদের অনেক সমস্যা হতে পারে যা অন্যদের হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম, গবেষকরা বলছেন যারা রাতের শিফট এ কাজ করে তাদের স্থূলতা, ডায়াবেটিসের প্রবণতা অনেক বেড়ে যায় এবং তারা ধীরে ধীরে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ক্যান্সারের মতো ভয়ঙ্কর অসুখের দিকে এগিয়ে যায় ।
গবেষকরা আরো বলছেন যে আপনি যদি এভাবে কাজ করতে থাকেন তাহলে আপনি ধীরে ধীরে স্তন, ত্বক ও অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের মতো অসুখেও আক্রান্ত হতে পারেন ।
গবেষকরা বলছেন যে আমাদের মস্তিস্ক থেকে ঘড়ির মতো দিন এবং রাতের পার্থক্য নির্ধারিত হয় । আপনি জেনে অবাক হবেন যে, একই সঙ্গে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন-ফুসফুস, অন্ত্র ও অগ্ন্যাশয় ইত্যাদি তে নিজস্ব ঘড়ি আছে । আমাদের কারোই জানা নেই যে কাজের শিফট এর পরিবর্তন এর সাথে সাথে আমাদের হজম পক্রিয়া ও কিভাবে পাল্টে যায় ।
আমাদের দেশে এবং বিদেশে অনেক মানুষ আছে যাদের চাকরির জন্যে মাঝে মাঝেই শিফটিং ডিউটি করতে হয় এবং তারা করে থাকেন , আর এটাই আমাদের মস্তিস্ক সহজে মেনে নিতে পারে না, তখন আমাদের শরীরের ঘড়ি একেক সময় একেক রকম সংকেত দেয়, কখনো সংকেত দেয় এটা রাত, কখনো আবার সংকেত দেয় এটা দিন, আর এটা নিয়েই বিপাকে পরে ।আর ঠিক তখন এ আমরা সেই সব ভয়ঙ্কর মরণ ব্যাধির দিকে এগিয়ে যাই ।
অনিয়মিত ঘুম আমাদের কতটা বিপদের হাত ছানি দিচ্ছে তা আপনি অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন, তাই আমাদের উচিত আমাদের একটা কাজের রুটিন করে চলা এবং একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে পরা, এর ফলে আমাদের মন ও ভালো থাকবে সাথে সাথে শরীর টা ও সুস্থ থাকবে ।
শেষ কথা : গবেষকরা এটাও জানিয়েছেন যে শিফটিং ডিউটি করলে আর কি কি সমস্যা হয় সেটা নিয়ে তারা এখনো কাজ করছে, যদি ঠিকমতো নির্ণয় করা যায় কেন এই সমস্যা হচ্ছে তাহলে তারা পরবর্তী তে এই রোগ প্রতিরোধের উপায় ও বের করতে পারবেন বলে আশাবাদী ।
ধন্যবাদ আমার সাথে থাকার জন্যে এবং মন দিয়ে পুরো ব্লগ টা পড়ার জন্যে ।
আপনি যদি স্টিমিট নিয়ে কোনো রকম সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন তাহলে, আপনার জন্যে আমাদের সাহায্যের দরজা সবসময় খোলা, সাহায্য পেতে আপনাকে কষ্ট করে নিচের ব্যানার এ ক্লিক করে আমাদের কমিউনিটি তে জয়েন করতে হবে ।