আজকে কথা বলবো আমাদের সমাজের প্রচলিত কুফুরীর সর্বশেষ পার্ট নিয়ে, এবং কিভাবে তওবা করতে হবে যদি আপনি কুফুরী করে থাকেন , তো চলেন শুরু করা যাক, আমাদের আজকের পার্ট। মানুষ যত কুফুরী বাক্য উচ্চারণ করে থাকে তার সর্বাধিক কুরুফী বাক্য গুলা বিপদে পড়লে অথবা কোনো কারণে হটাৎ হইলে অথবা অন্য কোনো ঝামেলাতে পড়লেই কুফুরী কথা বলে ফেলে নিজের অজান্তে। যাই হোক আজকে কথা বলবো মানুষের আপন জন মারা গেলে মানুষ সম্ভাব্য কি কি কুফুরী বাক্য বলে থাকে।
কেউ একজন মারা গেলে দেখবেন অনেকে বলে আল্লাহর এই কাজটা উচিত হয় নাই, এই মানুষ টা (যিনি মারা গেছেন ) এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি ছিল । আল্লাহর ভুল ধরা কত বড় কুফুরী বুঝতে পারছেন।
কেউ মারা গেলে অনেক মানুষ বলে থাকে যে আল্লাহর কি যেন কোনো প্রয়োজন ছিল তাই উনাকে উঠাইয়া নিলো, অথবা বলে যে আল্লাহর মাঝে মাঝে নেককার বান্দার প্রয়োজন হয় যার কারণে নেককার বান্দাদের উঠিয়ে নেয়। এখন চিন্তা করেন কত বড় মূর্খ হইলে মানুষ এমন কথা বলে, আল্লাহর নাকি প্রয়োজন , হা হা হা না হেসে পারলাম না , আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন অথচ কিছু মানুষ রুপি পাগল বলে আল্লাহর নাকি আমাদের দরকার, আল্লাহর নাকি আমাদের হেল্প লাগবে। কত বড় পাগল হলে এমন কথা বলে।
পরিবারের কোনো প্রধান উপার্জনকারী যদি মারা যায় তাহলে অনেকে বলে যে হে আল্লাহ তোমার কি এই মানুষটার ছোট ছোট বাচ্চার প্রতি তোমার দয়া হলো না , এখানে আল্লাহকে দোষারোপ করা হচ্ছে , এটা ও অনেক অনেক বড় কুফুরী।
কোনো যুবক মানুষ মারা গেলে অনেকে বলে যে হে আল্লাহ তুমি ওর এই ভরা যৌবনটার জন্যে ওকে দুনিয়াতে রেখে দিতে পড়তে , যদি নিতেই হতো তাহলে অন্য কোনো বুড়ো লোক কে নিয়ে যাইতা।
কোনো মানুষ হটাৎ মারা গেলে অনেকে বলে যে হে আল্লাহ তোমার এমন কি দরকার ছিল যে ওই মানুষটা কে এতো তাড়াতাড়ি নিয়ে গেলে।
ধন্যবাদ পুরো টুকু পড়ার জন্যে