শীতির যে চোদন তাতে ঘর থাইকা বারাইতে পারতাছি না। মনে হচ্ছে এই চোদনে একটা কিছু হইয়া যায়বো।
সকালে একবার উঠছিলাম বাজার থাইকা পরাটা খাইয়া আসতে আসতে মনে হেচ্ছ শীতের চোদনে পা অবশ হইয়া রহিয়াছে। তাতে বুঝিতে পারিলাম এটা আমার শীতের চোদনেই হইয়াছে। আর পানির কতা কি কমু পরেটো খেয়েছি কিন্তু পানি খাইনি কারন পানিতে কারেন্ট সক করতাছে তাতে ও বুঝলাম শীতের চোদনেই আমার এই দশা।