image collected from ( www.google.com )
খুব বেশি ভূতের ভয় কিংবা একা থাকতে ভয় পাচ্ছেন ??????
আমার এই পোস্টটা পড়ে আশা করি , কিছু মানুষ উপকৃত হবে যাদের ভূতের ভয় বলে মনের মধ্যে কিছু একটা কাজ করে
কাজের কথায় আসি। ভূতের ভয় কম বেশি সবার মাঝেই তো আছে। কিছু ফ্যাক্ট বলবো যেগুলো ভূতের ভয়টা কাটাতে সাহায্য করবে
১. আপনি নিয়মিত ভূতের গল্প শুনেন ?
২. আপনি রেডিও এফ এম এ ভূতের সুন্দর সুন্দর কাহিনী শুনেন ?
৩. আশেপাশের কেউ যদি ভূত নিয়ে আলোচনা কিংবা গবেষণা শুরু করে দেয়, আপনি কি গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনেন ?
৪. ভূতের সিনেমা দেখেন ?
উপরের ৪ টা প্রশ্নের কোনটার উত্তর যদি ইয়েস আসে , তাহলে আমি বলবো আপনি সেটাকে নো করে দিন
আপনি ভূত বেশি ভয় পান। ভেবে নেন আপনি ভিতু এই ব্যাপারটাতে। সমাধান হচ্ছে সেই ভয়টা কমানো।
যদি আপনি ভূত বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকে, তাহলে ধরে নিন আপনি ভয় জিনিস টাও মনের মধ্যে গেঁথে নিচ্ছেন। প্রথমে মনে হবে না এমন। সবার সাথে থেকে ব্যাপারটা উপভোগ করছেন, একটু ভূত ভূত চিন্তা অনুভব করে সাময়িক মজাও পাচ্ছেন। ব্যাপারটা একটা সময় আপনার জন্য একটু ভীতিকর হবে যখন একা থাকবেন কিংবা ভুতুরে পরিবেশ মনে হবে। আপনি রুমে আছেন। হুট করে কিছু একটা পড়ে গেলো আসেপাশে কিংবা কিছু একটা শব্দ করে উঠলো। এটা ভূতুরে পরিবেশ না কিন্তু আপনিই নিজের মনের মধ্যে তৈরি করে ফেলছেন। দেখবেন হয়তো তখনি একটা হরর মুভির কোন একটা দৃশ্য কল্পনা করে বসে আছেন। ব্যাপারটা কেমন লাগবে তখন। কিছুই তো না এসব। হয়তো ইঁদুর একটা কৌটা ফেলে দৌড় দিল কিংবা টিকটিকি উপর থেকে কিছু একটার উপর পড়লো যা কিনা শব্দ সৃষ্টি করল। ভয়টা চলে আসলে একবার, তখন উল্টাপাল্টা চিন্তা মাথায় আসবে। এটাই স্বাভাবিক। আর বাসায় একা হইলে তো কথাই নাই।
একটা অভিজ্ঞতা থেকে দেখলাম, ভূতের ব্যাপারে অতি আগ্রহী মানুষ গুলোই বেশিরভাগ ভূত ভয় পায়।
ভূত নিয়ে জানতে চাইলে ভাল। ভয় না পাইলে আরও ভাল। কিন্তু ভয় পাইলে এটা আপনাকে ভীতুর রেটিং বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আপনি ভূত বেশি ভয় পান। দরকার কি আপনার, ভূতের এসব মুভি দেখা কিংবা গল্প শুনার। এসব অভ্যাস থাকলেও একটু কমিয়ে আনুন। দেখবেন ভয় অনেক কমে যাচ্ছে। অহেতুক ভূতুরে পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়ে উঠবে না আপনার। শুধু একা রুমে কেন,
পুরো এপার্টমেন্টেও একা থাকতে পারবেন। আমি এমন অনেক দেখেছি যারা নিয়মিত ভূতের গল্প শুনেন কিন্তু একা রুমে থাকতে ভয় পান কিংবা গল্প শুনার পরে কিচেন কিংবা ওয়াশরুমে যাইতেও ভয় পায়। এই শুনবেন, ২ মিনিট পর ভয়ে কাঁপবেন। দরকার কি তাহলে এমন গল্প শুনার।
যাদের ভূতের ভয় বেশি, আশা করি একটু হলেও কমে যাবে কথা গুলো একটু মেনে চললে।
সবাই ভাল থাকবেন।