আপনার আইডিয়া দিয়ে বদলে দিন বর্তমান সেচ ব্যবস্থা!

Words
261
Reading
2 min
Listen
Play
8y

মাটির নিচে কমছে পানি, মোটেই বাড়ছে না যে, বিল, নদী আর বৃষ্টি, ছড়া, জোয়ার লাগুক কাজে।বারোটা মাস সব জমিতেই ফলতে থাকুক সোনা, চর, খরা বা হাওড়, পাহাড় কিংবা যেথায় লোনা।

igc2.jpg
source

আপনার আইডিয়া দিয়ে বদলে দিন বর্তমান সেচ ব্যবস্থা!

কৃষিনির্ভর আমাদের এই সবুজ লীলাভূমি বাংলাদেশ পরিচিত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে। গাঙ্গেয় অববাহিকার এ ভূ-খন্ডের মোট আয়তনের অর্ধেকই জলাশয়, হোক তা নদ-নদী, খাল, হাওর বা প্লাবন জলাভূমি। কিন্তু তবুও দেশের অধিকাংশ সেচ কাজ নির্ভরশীল ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর। দেশের মোট আবাদী জমির পরিমাণ ৮৫ লক্ষ হেক্টর যার মধ্যে ৭১ লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচ এর মাধ্যমে কৃষিকাজ চলমান। এই সেচ এর প্রায় ৭৮% শতাংশ পুরোপুরি ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরশীল। ৭০ এর দশকে শুরু হওয়া ভূ-গর্ভস্থ সেচ কার্যক্রম ইরি ধানের প্রচলনের পর আরও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বেড়েছে ফলন, শস্যে আমরা এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ।

কিন্তু আশির্বাদ হিসেবে আসা এই সেচ ব্যবস্থাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে পানির স্তর ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে। শুধুমাত্র বোরো মৌসুমে প্রতিবছর যে হারে পানি সেচের জন্য ভূ-গর্ভ থেকে তোলা হয়, সে পরিমাণ পানি মাটির নিচে যায় না। ফলে পানির স্তর আরও নিচে নেমে যায়। বাংলাদেশে প্রায় ৫০ লাখ নলকূপ রয়েছে যেগুলোর সামগ্রিক উত্তোলনে আমাদের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫ মিটার নিচে নেমে যাচ্ছে। এর ফলে মরুকরণ হয়েছে দ্রুততর। নতুন কোন উপায় খুঁজে না পেলে নতুন অনাবাদী জমিকে কৃষিকাজের আওতায় নিয়ে আসা তো সম্ভব হবেই না, বর্তমানের আবাদী জমিও পানির অভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
igc1.png
source
ঠিক এরকম একটি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রনালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় নিয়ে এসেছে “মাটির উপরের পানি ব্যবহার করে সেচ” চ্যালেঞ্জ। দেশের এই পরিস্থিতি সমাধানে আপনার সম্ভাবনাময় আইডিয়াকে প্রস্তাবনা হিসেবে উত্থাপন করুন

আপনার আইডিয়া দিয়ে বদলে দিন বর্তমান সেচ ব্যবস্থা! | Ecency