হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে সকালে প্রায় ৭ টার দিকে ঘুম থেকে উঠেছি। কারন আজকে আমার পুকুর দেখতে যেতে হবে।
তারপর নাস্তা করে পুকুরে যাওয়ার জন্য তৈরী হলাম বাসা থেকে বের হয়ে চারমাথায় গেলাম সেখান থেকে সি.এন.জিতে করে কাশিমালায় পৌছালাম।
বগুড়ার পাশের থানা কাহালুর মধ্যে শেষ প্রান্তে অবস্থিত কাশিমালা গ্রাম। এই গ্রামে আমাদের তিনটি পুকুর রয়েছে এই পুকুর দেখার জন্য আমি আজকে পুকুরপাড়ে গিয়েছিলাম পুকুরে মাছ চাষ করা হয় আর আমি দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে যাই।
সেখানে আমাদের একটি লোক মোতায়েন করা রয়েছে তার নাম ইসলাম তিনি পুকুরের দেখাশোনা করেন এবং পুকুরে মাছের দুই বেলা বেলা খাবার দিয়ে থাকেন। মাঝে মাঝে বিশেষ কোনো প্রয়োজনে আমার সেখানে যেতে হয়। আমার আব্বু মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করায় তার হাত ভেঙে যায় সে কারণে আব্বু সেখানে যেতে পারে না আব্বুর পরিবর্তে আমি যাই।
আমি সেখানে পৌঁছায় প্রায় ১০ টার দিকে বাদ বাকি কাজকর্ম শেষ করে দুপুরের খাওয়া দাওয়ার পর্ব আয়োজন করল আমাদের ইসলামভাই। তারপর আমরা তিনজন মিলে মাচাংয়ের উপর বসে থেকে দুপুরের খাবার খেলাম। এভাবে প্রাকৃতিক আবহাওয়ার মধ্যে খাবার খেতে আমাদের সবার খুব ভালো লাগলো।
দুপুরের খাবার শেষ করে পুকুর পাড়ে একটি ঘর রয়েছে সেখানে আমি কিছুক্ষণ রেস্ট করলাম তারপর বিকেলবেলা পুকুরপাড়ে দাড়িয়ে থেকে পুকুরের মাছের খাবার দেওয়া উপভোগ করলাম।
এটি আমাদের সবচেয়ে বড় পুকুর এই পুকুর প্রায় তিন বিঘা জায়গার উপর অবস্থিত। এই পুকুরে গলসা মাছ এবং বাংলা মাছের চাষ করা হয়। পুকুরপারে বিকেলের প্রাকৃতিক আবহওয়া দেখতে খুব সুন্দর লাগে। তাই আমার ইচ্ছা করে প্রত্যেকদি যেতে বগুড়া থেকে ২০ কিঃমিঃ দূরত্ব হওয়ার কারণে প্রতিদিন যাওয়া সম্ভব হয় না।
আকাশের অবস্থা ভাল ছিল না তাই আমি বিকেল বেলা ওখান থেকে রওনা হলাম বাসার উদ্দেশ্য বাসায় পৌঁছে আমার সন্ধ্যা হয়ে গেল। আমি #hive এর কিছু বাকি কাজ তৈরী করলাম।
রাতের বেলা ফ্রীজ থেকে আইসক্রিম নিয়ে ভাগ করা
আমার চা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে একটু মাথা ব্যথার কারণে আমি দোকান থেকে একটি চা পাতা কিনে নিয়ে আসলাম এবং নিজে নিজেই চা তৈরি করলাম অন্য কেউ তৈরি করলে সেটা আমার পছন্দ হয় না।
প্রায় এক ঘন্টা পর আমি ফ্রিজ খুলে দেখি দুই প্রকারের আইসক্রিম রয়েছে। আমি সবাইকে বললাম তোমরা কেউ আইসক্রিম খাবে সবাই বলল যে আমাদের দাও। সেখান থেকে এতগুলি আইসক্রিম খাওয়া সম্ভব নয় বলে কয়েকটা ভাগে ভাগ করলাম আর সবাই মিলে খেলাম।
তারপর আমি পুনরায় #hive এ কাজ করতে লাগলাম, রাত ১২-৩০ মিনিটে আমার ঘুমের ভাব হলো আমি আর দেরী না করে ঘুমিয়ে পড়লাম।
এই ছিল আমার রবিবারের ডাইরি ভুলত্রুটি আপনারা ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন পরবর্তী ডায়েরি নিয়ে আবার কালকে দেখা হবে আসসালামু আলাইকুম।
🌬️🌬️🌬️
Facebook:::Twitter :::Instagram
Email- [email protected]
Thanks to all of you for reading my post!