ধ্বংসস্তুপের নিচে আরও অনেকে চাপা পড়ে আছেন। কর্তৃপক্ষ আরও ভূমিকম্প হতে পারে এবং তা সুনামি ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার প্রথম প্রহরে রিখটার স্কেলে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎস ছিল মাজেনি শহরের ৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
রয়টার্স জানিয়েছে, সাত সেকেন্ড স্থায়ী এ ভূমিকম্প এবং একের পর এক পরাঘাতে ৩শ’ ঘরবাড়ি, দু’টি হোটেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধসে পড়ে একটি হাসপাতাল এবং প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয়।
এসব জায়গায় ধ্বংসস্তুপের নিচে কিছু মানুষ চাপা পড়ে আছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কয়েক জায়গায় ভূমিধস হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকায়, সেতু ক্ষত্রিগ্রস্ত হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা সংস্থা শুক্রবার সন্ধ্যায় এক প্রতিবেদনে বলেছে, ৪২ জন মারা গেছেন। তাদের বেশিরভাগই মামুজু এলাকার। আর বাকিরা পাশের মাজেনি এলাকার মানুষ। আহত হয়েছেন ৮২০ জনেরও বেশি মানুষ।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সেতু মেরামতের পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে তাঁবু, খাবার ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন পশ্চিম সুলাওয়েসির প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র সফরউদ্দিন।
রাত দেড়টার দিকে ওই ভূমিকম্পের পর কোনও সুনামি সতর্কতা জারি না হলেও আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু এলাকায় সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।