হেলোও আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন?আশা করি সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি মজার ঘটনা শেয়ার করবো আর তা হলো গতবছরের কোরবানী নিয়ে।বলছি শুনুন,
আমরা ঈদ করতে সবাই সেবার গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার ছোটভাইয়ের বয়স তখন হয়তো পাচঁ কি ছয় বছর মানে খুবই ছোট।সে তো খুবই এক্সাইটেড যে সে গরু কিনবে, গরু দেখবে। তো আমরা গিয়েছিলাম কোরবানের চার দিন আগে আর ঘটনা হলো কোরবানের দুইদিন আগের।ওইদিন সায়েম মানে আমার ছোটভাই গ্রামের অন্যান্য ছোটছোট বাচ্চাদের সাথে গ্রামে হাটছিলো তো সে দেখে গ্রামের মহিলারা গোবর কে একটা কাঠির মধ্যে লাগিয়ে রোদে শুকাতে দিচ্ছে আর তা দেখে আমার ভাই মনে করেছে যে তারা কাবাব বানাচ্ছে এরপর ওইদিন চলে আসে।আবার এর পরের দিন সে ওই বাচ্চাদের সাথে যায় আবার গ্রাম ঘুরতে। আর আবার দেখে মহিলারা গোবর দিয়ে কাঠির মতো লম্বা করে বানিয়ে রোদে শুকিয়ে দিচ্ছে আসলে এসব হলো জ্বালানি অর্থাৎ গ্রামের মহিলারা গোবরকে এভাবে শুকিয়ে চুলায় আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহার করে।সে যাই হোক,ওইদিন আমার ভাই কি করলো একটা ওই গোবর এর কাঠি হাতে নিলো এরপর আস্তে আস্তে বাড়িতে চলে আসলো এরপর বাড়িতে এসে দেখে সবাই পাটিতে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছে আর সে করলো কি ওই শুকানো গোবরের লাঠির মতো ওইটা আম্মুর ভাতের প্লেটে দিয়ে বললো," আম্মু তোমার জন্য লম্বা কাবাব আনছি।" সবাই পুরা অবাক এর একটু পরেই সবাই তো হাসতে হাসতে শেষ।কারণ সে গরুর গোবরকে কি সুন্দর কাবাব ভেবে আম্মুর প্লেটে এনে দিলো।ওর বয়স এখন প্রায় এগারো তাও তাকে আমরা এটা বলে বলে চেতাঁই।আর আম্মু তাই ছেলেকে ডিফেন্স করার জন্যে বলে,"দেখছস আমার ছেলে খাওয়া ভেবেও কিন্তু খায় নায়, আমার জন্যই নিয়ে আসছে।" এসব বলে তো আর আম্মু ছেলেকে বাচাঁতে পারেনা।আমরা তাই এখনো মজা নেই আর ভাবলেই হাসি আসে কেমন করে আমার ভাই কাবাব ভেবে নিয়ে আসলো।
যাই হোক,কাহিনী এখানে শেষ তবে কাহিনীটা পুরানো হলেও খুব বেশি মজার।
আশা করি সবার মজাই লেখেছে আর বোরিং লাগলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
From,
@nusuranur