প্রেজেন্টেশন শব্দটি শুনলেই একটা ভয় কাজ করে। প্রাইভেট কোম্পানি হোক বা ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে প্রেজেন্টেশন দিতে হবে শুনলে অনেকেরই জ্বর এসে যায়।
আমার মনে আছে আমি যখন প্রথম প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলাম এত বেশি ভয় পাচ্ছিলাম প্রেজেন্টেশন শেষ না হতেই আমি সরি স্যার বলেছিলাম। তখন অনেক খারাপ লাগছিল। তবে ধীরে ধীরে এখন আমার প্রেজেন্টেশন দেওয়া আগের থেকে বেশ ভালই হয়।
আজ আমি আপনাদের প্রেজেন্টেশন নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।
কেননা প্রেজেন্টেশন দেওয়ার আগে আমরা অনেক কিছুই ভেবে থাকি।
কিভাবে প্রেজেন্টেশন দিবো?
ফেইস এক্সপ্রেশন কেমন হবে?
কোন ধরনের পোশাক পরিধান করতে হবে?
তাই এগুলো নিয়ে আর চিন্তা না করে, কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করলেই আপনি অনেক ভাল প্রেজেন্টেশন দিতে পারবেন।
প্রথমত, ★আপনার প্রেজেন্টেশনটির টপিক কি? কোন বিষয়ের উপর আপনি প্রেজেন্টেশন দিবেন?
সেটা আগে ঠিক করুন। তারপর বই-পুস্তক বা গুগল থেকে আপনার বিষয়টির ওপর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করুন।
আর সেটার উপর একটি আউটলাইন তৈরি করুন।
★যখন প্রেজেন্টেশন দিবেন তখন দর্শকদের দিকে দৃষ্টি রাখার চেষ্টা করবেন।
আপনি যা বলবেন দর্শক সেটা শুনবে তাই আই-কন্টাক করা জরুরি।
আপনার প্রেজেন্টেশনটি যেন অনেক দীর্ঘ সময় না হয় সেটা খেয়াল রাখবেন। আবার অনেক অল্প সময়ে যেন না হয়।
★পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন :প্রেজেন্টেশন দেওয়ার জন্য ফরমাল পোশাক পরিধান করতে হয়। আর তাই পার্টি পোশাক পরিধান করে কখনোই প্রেজেন্টেশন দিবেন না।
★প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় দ্রুত কথা বলবেন না। শ্রোতারা যেন আপনার কথা বুঝতে পারে সেভাবে কথা বলবেন।
নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আনুন। তাহলে আপনার ভয় কেটে যাবে।
★তাছাড়া প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় আপনার টপিকের উপর কিছু বাস্তব উদাহরণ দেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে বিষয়টি বুঝতে সবার সুবিধা হবে।
★আর হ্যাঁ কখনোই স্লাইড দেখে -দেখে প্রেজেন্টেশন দিবেন না।
★সবশেষে দর্শকদের জিজ্ঞেস করুন তাদের কোন প্রশ্ন আছে কিনা? থাকলে সেটার উত্তর দিন।
এই পদ্ধতিগুলো খেয়াল করলেই আপনি অনেক ভাল প্রেজেন্টেশন দিতে পারবেন।
প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় আমি নিজেও এই পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করি। আর ভাল প্রেজেন্টেশন দেওয়ার চেষ্টা করি।
আমি নিহা। ছোট বেলা থেকেই লেখালেখি করতে পছন্দ করি। তাই আজ আমি প্রেজেন্টেশন নিয়ে লিখেছি।