আমাদের গ্রামে মোহিনী নামে একটি মেয়ে ছিল । খুব গরিব ঘরের মেয়ে কিন্তু খুব সুন্দরি । কিন্তু এই সুন্দরি হওয়ার কারনে তার জীবন ধ্বংস হইয়া গেল । প্রাই ৫ বছর আগের কথা । মোহিনীকে দেখে পাসের গ্রামের রফিক প্রেমে পড়ে গেছিল । শুধু রফিক নই গ্রামের অনেকে এই মোহিনীর প্রেমে পড়েছিল । মোহিনী নাম যেমন সুন্দর দেখতে বেশ অনেক সুন্দর। এই রফিক দিন নাই রাত নাই সব সময় মোহিনীকে দেখতে চলে আসত । কিন্তু রাকিব ছিল ধনি পরিবারের ছেলে । গ্রামের মোড়লের পোলা । এই কথা যখন রাকিবের বাবার কানে গেল তখন রাকিবের বাবা মোহিনীকে ডেকে সাবধান করে দিল। সে যেন রাকিবের সাথে কোন যোগাযোগ না করে। কিন্তু এই বিষয়ে মোহিনীর কোন দোষ ছিল না । রাকিব একটু বেশি পাগলামি করতো। মোহিনী মানা করার পরও রাকিব মোহিনীকে অনেক জালাত । রাকিবের কারনে মোহিনী অতিষ্ঠ হইয়া পড়েছিল । এর পরও রাকিবের বাবা মোহিনীকে দোষারোপ করে গ্রামে সালিশ বসাই এবং মোহিনীকে অনেক মারা হইছিল। কিন্তু গরিবের জন্য গ্রামের কেউ কোন কথা বলেনি। এত অত্যাচারের পরও মোহিনী গ্রামে চুপ করে ছিল । এর পর ও রাকিব জালাত কিন্তু মোহিনী বারেবার বলত তুমি আমাকে আর জালাই ও না।
আমি আর সহ্য করতে পারছি না। মোহিনীর অমতের কারনে রাকিব ঐদিন অনেক নেশা করেছিল । এবং রাকিব ওর বাবাকে অনেক কথা শুনাইছিল যেগুলো বলা ঠিক হইনি রাকিবের । এর পর রাকিবের বাবা লোক ভাড়া করে মোহিনীর মুখে এসিড মারে । এবং মোহিনীর সুন্দর চেহারা অসুন্দর করে দেই । মোহিনীর সব কিছু শেষ করে দেই । তার পরও মোহিনী গ্রাম থেকে কোন সহযোগিতা পাইনি । নানান রকম কবিরাজি করে মোহিনীকে পাগল করে দেওয়া হয় । মোহিনী গরিব ঘরে বসবাস করলেও অনেক সুখে শান্তিতে থাকত । কিন্তু এই রাকিব আর তার বাবা সব কিছু কেড়ে নিল মোহিনীর জীবন থেকে। মোহিনীর চোখে পানি ছাড়া আর কিছু দেখতে পাওয়া যাই না।