আমাদের গ্রামে এক গরিব কৃষক ছিল । খুবই গরিব ।বাসা বাড়ি তেমন ভাল ছিল না । দিন আনে দিন খাই । দিন মজুরীর কাজ করতো । যা পাইত তাই দিয়া তাদের পরিবারের ৩বেলা খাওয়া পরা চলত কোন রকম । অনেক কষ্ট করে সে একটি গরু কিনেছিল । এই গ্রামে মানুষ গ্রাম সালিশের মাধ্যমে মিট মাট করতো । কৃষক এর নাম ছিল রহিম । রহিম কৃষক গরিব হলে ও শত ছিল ।কখনও অন্যের সম্পদ নষ্ট করতো না । দিন রাত খুব পরিশ্রম করতো । তার পরিবার গ্রামের ভিতরে খুবি কষ্টের সাথে জীবন যাবন করতো । তার গরুর পিছনে রহিম অনেক পরিশ্রম দিত । তার বাড়ি ও ছিল অন্যের জমির উপরে ।
হটাত একদিন তার গরু আড়া পড়ে রাতে । রাতের বেলাই রহিমের গরু গ্রামের মণ্ডলের বাগানে অনেক গুলো চারা গাছ নষ্ট করে ফেলে । পরের দিন সকালে মণ্ডল রহিমকে ডাকে । এবং মণ্ডল তাকে কিছু জরিমানা করে আর বলে পরের বার এমন ঘটনা ঘটলে তোমার গরু আমি নিয়া নিব । এই বলে রহিম মাপ পাই ।
কিছু দিন পর আবার রহিমের গরু আড়া পড়ে । এইবার দিনে । যখন আড়া পড়েছিল তখন রহিম বাড়ি ছিল না । অন্নের জমিতে দিন মজুরের কাজ করছিল । এই সময় গরু আড়া পড়ে গ্রামের অনেক গাছ এবং তরকারি জমির ফসল নষ্ট করে ফেলে । এইবার অনেক কিছু নষ্ট করে । এইবার রহিমকে আর সহজে মাপ করল না। গ্রামে সালিশ হল তার বিরুদ্ধে । গ্রামের মণ্ডলরা যা বলবে রহিমকে তাই মেনে নিতে হবে। তবে গ্রামের মণ্ডল রা এইবার একটু কঠিন বিচার করল । রহিমকে বলল এই গরুর যা মূল্য হবে তার আধা টাকা আমরা দিব ।আর কে আমাদের গ্রামে জবাই করে সবাই এই গরুর মাংস খাবে। রহিব এই বিচারে রাজি ছিল না। তার পরও গ্রামে থাকতে হলে এই বিচার মেনে নিতে হবে। তাই রহিম আর না বলতে পারল না। যখন রহিমের বাড়ি থেকে গরু আনতে গেল রহিম বলল মণ্ডল কে এ টাই আমার শেষ সম্বল । আমার আর কিছু থাকল না। আমাকে শেষ করে দিল ।এই বলে রহিম অনেক কাঁধে ।কিন্তু কিছু হল না। অবশেষে রহিমের গরুকে জবাই করে গ্রামে মাংস ভাগ করে দিল ।
গল্পটি ভাল লাগলে আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন সবাইকে অনেক ধন্যবাদ