মন ভাল নেই। কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। কি লিখব? কি লিখা উচিত? কিছুই যেন মাথায় আসছে না। কেমন যেন খালি খালি লাগছে সবকিছু। মনে হচ্ছে কিছুই নেই মাথার ভেতর। সব কিছুই যেন জটিল, অবান্তর। বিষাদময় পরিবেশ, ধূসর-কালো মলিন প্রকৃতি। কোথাও কোন রং খুজে পাচ্ছি না। সাদা আর কাল ছাড়া যেন কিছুই চোখে পড়ছে না। মনের শান্তি আসছেনা কিছুতেই। ইদানিং ভাল লাগে না রোগটা খুব বেড়েছে। কিছুতেই কিছু ভাল লাগে না। কেন ভাল লাগে না, কি করলে ভাল লাগবে সেটা ভাবতেও ভাল লাগে না। ভাল লাগে না রোগের পাল্লায় পড়েছি এবার।
ইদানিং যেদিকেই তাকাই সবার শুধু খারাপ খবর। তবে কি কেউ ভাল নেই? খুবই কঠিন সময়ের মধ্যেদিয়ে যেতে হচ্ছে সবাইকে তাই এই সময়টায় ভাল থাকাটা হয়ত বেশ কঠিন। তারপরও একটু শান্তির খোজে মানুষের চেষ্টার কমতি নেই। একটু আগেই ফেসবুকে ঘাটতেই কোন একটা নিউজ চ্যানেলের একটা হেডলাইন দেখে ভালই লাগল। হেডলাইনটা ছিল "তীব্র গরমে একটি পিকআপকে সুইমিংপুল বানিয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরেছেন খাগড়াছড়ির কয়েকজন যুবক l" একটুখানি আনন্দে থাকার কতই না চেষ্টা। অনেকেই হয়ত বলবে এসব পাগলামি। হলইবা পাগলামি তাতে কি এসে যায়? ছোট একটা ভাল খবর ও মানুষের মনকে নিমিষেই ভাল করে দিতে পারে। দিন শেষে আনন্দে থাকতে পারাটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।
একা একা বসে ভাবছিলাম - খোলা আকশে কত দিন বুক ভরে বাতাস নেই না। কত দিন নদীর ধারে বসি না। কত দিন পাই না কাচাঁ মাটির মিষ্টি গন্ধ। প্রকৃতির সাথে নেই কোন সখ্যতা। এমনিতেই শহরের চার দেয়াল আটকা আর ট্রাফিকের জন্য ঢাকা থেকে বিতাড়িত হওয়ার কথা ভাবছিলাম অনেকদিন থেকেই। ঠিক সেই সময়েই যেন পরিকল্পনার কবর খুড়ে দিল করোনা। এখন যেন চার দেওয়ালই সঙ্গী। কি বা করার আছে?
পুরো পৃথিবীটাই যেন পাল্টে গেছে। সূর্যের হাসি যেন মলিন যেন কষ্টের গরম নিঃশ্বাস ছাড়ছে। চাদেঁর জোছনা ও যেন আগের মতন আলো ছড়ায় না। যতই দিন যাচ্ছে ততই যেন সব সৌন্দর্যের বিলীন ঘটছে। বিষাদময় হয়ে উঠছে সবকিছুই। দিন দিন রোগের বালাইয়ের মাএা যেন বেড়েই চলেছে আরো ভয়াবহ আকার ধারন করছে। পরিবেশ পরিস্হিতি হয়ে উঠছে জটিল থেকে জটিলতর। এই জটিলতার অবসান ঘটবে কবে? কবে মানুষের মনেশান্তি আসবে? কবে পৃথিবী আগের মতন হবে?
আমার লিখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ🙂
সবাই ভাল থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন।